fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

হাসপাতাল থেকে ফেরানো যাবে না রোগীদের, নয়া নির্দেশিকা জারি নবান্নের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার করোনা পরিস্থিতিও সন্তোষজনক নয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি হয়েছে কোভিড ম্যানেজমেন্ট ক্যাবিনেট কমিটি। আরও বাড়ল সংক্রমণ, বাড়ল মৃত্যু। রাজ্যে নতুন করে আক্রান্ত ৩৭। মোট আক্রান্ত ৫৭২ (সক্রিয়), মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৩৩। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও হুগলি থেকে এই ৩৭ করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিলেছে।

বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানোর অভিযোগ উঠছিল বারবার, তাই কড়া নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন। এবার থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়াই বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি নেওয়া যাবে করোনা রোগী। আতঙ্কের জেরে কাউকে ফেরানো যাবে না। ভরতি নিতে হবে। করাতে হবে Covid-19 টেস্ট। নইলে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও রয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন এই লকডাউনের মধ্যে রাজ্যের কোনও হাসপাতাল থেকেই কোনও রোগীকে ফেরানো যাবে না । বৃহস্পতিবার দুপুরে সেই নির্দেশকা জারি করে দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব বিবেক কুমার। রাজ্যের এই নির্দেশিকার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকাও। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল আপত্তি তুলতে পারতো। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশিকা জুড়ে দেওয়ায় সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: মিডিয়াকে হুঁশিয়ারি,’বিরোধীরা শকুন, এই সংকটেও রাজনীতি? মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ রাজ্যপালে

করোনা মোকাবিলায় নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বেশ কয়েকটি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কয়েকটি নার্সিংহোম অধিগ্রহণ করে করোনা চিকিত্‍সার বন্দোবস্ত করেছে রাজ্য। তবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বহু রোগীই অন্যান্য নার্সিংহোমগুলিতে করোনা উপসর্গ নিয়ে হাজির হচ্ছেন। কিন্তু অভিযোগ, বেশ কিছু নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ ওই রোগীকে ফেরত পাঠাচ্ছেন। বহু ক্ষেত্রেই চিকিত্‍সার জন্য সরকারি অনুমতির প্রয়োজনীয়তা বাধ্যতামূলক বলেও দাবি করছে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। করোনা মোকাবিলায় বারবার সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও জোটবদ্ধভাবে কাজ করার কথা বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পরিবর্তে রোগীকে ফেরানোর অভিযোগ বাড়ছে। তার জেরেই হারি এই নির্দেশিকা।

এর পাশাপাশি এদিন মুখ্য সচিব রাজ্যের রেড জোন, গ্রিন জোন, কনটেইনমেন্ট জোনের হিসেবও দেন। তাঁর কথায়, ‘এখনও রেড জ়োন রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে কলকাতায় ২৬৪টি কনটেনমেন্ট জোন আছে। এর পরে হাওড়ায় ৭২টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ৭০টি কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে।’ এদিকে রাজ্যে করোনা হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ল। মুখ্য সচিবে্র দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা ৬৬ থেকে বেড়ে ৬৭ হল। কলকাতাতে আগে কোভিড হাসপাতাল ছিল চারটি। এখন তা বেড়ে হল পাঁচ।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close