fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ইসলামপুরে মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী গোলাম রব্বানী

দীপঙ্কর দে, ইসলামপুর: রবিবার রাতে ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরার সময়  পথদুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সনৎ মণ্ডলের। ময়নাতদন্তের পর সোমবার ট্রাফিক বিভাগের পূর্ণ মর্যাদায় ট্রাফিক এসকর্ট করে মরদেহ তাঁর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। ব্যক্তিগত কাজ সেরে ফেরার সময় সিভিক ভলেন্টিয়ারের শেষ যাত্রা দেখতে পেয়ে তিনিও সামিল হয়ে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছলেন গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা রাজ্য শ্রম প্রতিমন্ত্রী গোলাম রব্বানী।

 

সিভিক ভলেন্টিয়ার সনৎ মন্ডলের মরদেহ ইসলামপুর থানার কাচনা এলাকার বাড়িতে পৌঁছতেই আত্মীয় পরিজন থেকে প্রতিবেশীদের কান্নার রোল পড়ে যায়।  চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি খোদ মন্ত্রী রব্বানী থেকে শুরু করে ইসলামপুর থানার আইসি শমীক চ্যাটার্জী সহ পুলিশ আধিকারিকরা। মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সনৎ মন্ডলের বাড়ি থেকেই পুলিশ সুপারের পাশাপাশি কলকাতায় দলের উচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী রব্বানী।  ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গের সামনে ময়নাতদন্তের পর ট্রাফিক ওসি শমীক চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন ট্রাফিক অফিসার এবং ট্রাফিকের সিভিক সহকর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে অন্তিম শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

 

উল্লেখ্য, প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল রবিবারও ইসলামপুরের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সনৎ মন্ডল (২৮) ডিউটি সেরে সন্ধ্যারাতে কাচনা এলাকার বাড়ি যাবার সময় বেঙ্গল টু বেঙ্গল রোডে মাস্টার চক এলাকায় এক ট্যুরিস্ট মোটর বাইকের সাথে সংঘর্ষ হয় বলে জানান মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাদা বাবলু মন্ডল। খবর পেয়ে দাদা বাবলু মন্ডলই ভাইকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। তবে সিভিক ভলেন্টিয়ারের শরীরে কোনও ক্ষতের চিহ্ন না থাকায় মৃত্যুর কারনে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মৃতের পরিবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবার পর অভিযোগ দায়ের করবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ।

Related Articles

Back to top button
Close