fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তৃণমূল মেরুকরণের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়, বাংলার মানুষের ভরসা মমতা: পার্থ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: নাড্ডার মেরুকরণের রাজনীতিকে উড়িয়ে দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিজেপির ভার্চুয়াল সভায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে মেরুকরণের রাজনীতির অভিযোগ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি জে পি নাড্ডা। এদিন পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে সেই অভিযোগ কে খারিজ করলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা মেরুকরণের রাজনীতি করিনা। আমরা মানুষী করণের রাজনীতি করি।’ পাশাপাশি বিশ্বভারতীর ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানলেন পার্থ।

এদিন নাকতলায় নিজ বাসভবনে পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ‘যারা রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করছেন তাদের কে ২১- এর পরীক্ষায় পাশ হতে হবে তার পরেই তারা প্রথম আসবে কি লাস্ট আসবে সেটা রাজ্যের মানুষ বিচার করবেন। তবে বাংলার মানুষ এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন। কেন না মমতা বন্দ্যো পাধ্যায় তোষণের রাজনীতি করেন না মানুষকে দেখার রাজনীতি করেন। রাজ্যের কোষাগারে অর্থ্নৈতিক অবরোধ চলছে। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না। তবুও তিনি এই কঠিন সময়ের মধ্যেও জনস্বার্থ রক্ষা করে গিয়েছেন।’

নাড্ডা ভার্চুয়াল বৈঠকে বিজেপিকে গরিবের সরকার বলে উল্লেখ করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে পার্থ এদিন আরও বলেন, ‘যারা একের পর এক রেল, ভেল, বিএসএনএল সহ দেশেের বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণের পথে হাঁটছে তারা নিজেদের কি করে গরিবের সরকার বলেন ? তারা গরিবের সরকার নয়।’

পাশাপাশি পার্থ এদিন অভিযোগ করেন তাঁর দলের লোক বিজেপি রাজ্য সভাপতি কে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না।তিনি বলেন, ‘ বিজেপি রাজনীতির জন্যই রাজনীতি করছে প্রকৃত রাজনীতি করছে না যেখানে প্রতিটি বিষয় বাংলা এগিয়ে তবুও বাংলাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে রাজ্য বিজেপির প্রতিনিধিরা। পার্থ একের পর এক প্রকল্পের নাম উল্লেখ করে বলেন,’ সব বিষয়ে তেই এগিয়ে বাংলা। শুধু বিশ্বস্তরে নয় এমনকি কেন্দ্রের কাছ থেকেও তার জন্য পুরস্কৃত হয়েছে।’

লকডাউন প্রসঙ্গে তৃণমূলের মহাসচিব বলেন, ছাত্র ছাত্রীদের ও রাজ্যের মানুষের কথা মাথা রেখেই মুখ্যমন্ত্রী ১২ সেপ্টেম্বর টুইট করে লকডাউন প্রত্যাহার করার ঘোষণা করেছেন। এছাড়া বিশ্বভারতী নিয়ে বিজেপির মাফিয়া রাজ কায়েম করার অভিযোগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পাল্টা তোপ দেগে বলেন, ‘কারা মাফিয়া রাজ কায়েম করতে চাইছেন? মানুষ ভালো করে বুঝেছে। যারা রবীন্দ্র নাথ কে নিয়ে কথা বলছেন, তারা নাই বা বলুক। যারা বাংলা নিয়ে কথা বলছেন তারা আগে বলুক বাংলা ভাষা কে কেনো বঞ্চিত করা হয়েছে ধ্রুপদী ভাষার তালিকা থেকে। তখন তারা বাংলা ভাষা আর বাংলার সংস্কৃতির কথা ভাবেনি।’

Related Articles

Back to top button
Close