fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণদেশপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

তথ্য গোপন বন্ধ করে, দুই সরকার এক সিদ্ধান্তে আসুন: সুজন

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের তথ্যের কোনও মা-বাপ নেই। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ফের কটাক্ষ বাম পরিষদীয় দলনেতা তথা সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর। করোনা সংক্রমণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের সরকারের তথ্য দুরকম। এই প্রসঙ্গে শুক্রবার এক বার্তায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক, আর তা নিয়ে কথায় কথায় কেন্দ্র-রাজ্য ঝগড়ায় লেগে পড়েছে। কে কার কথা বিশ্বাস করবে আমরা জানি না মানুষ আর কারুর কথা বিশ্বাস করছে না।

রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকার কি আলাপ-আলোচনা করলেন না করলেন রাজ্যের চারটে রেড জোন পরিবর্তিত হয়ে ১০ টি রেড জোন হল। তার মধ্যেই রাজ্য জানিয়ে দিল আমি চারে আছি চার থেকে পাঁচ উঠব না। রাজ্য সরকারের তথ্যের কোনও মা-বাপ নেই। কুড়ি বাইশ তেত্রিশ এখন ১০৫ জনের মৃত্যু। এতদিন গোপন করেছিলেন কেন? অডিট কমিটি করে ধামাচাপা দিচ্ছেন কেন? হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার নামে বারোটা বাজিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন? মৃত্যুপুরী হচ্ছে মৃত্যুপুরী। কত ঠকবাজি মানুষ আপনাদের মানবে? সরকারের তথ্য কেউ মানছে না মানতে পারে না। ধামাচাপা দিতে গোপন তথ্য চুরি করতে করতে শেষ মন্ত্র মুখ্যমন্ত্রী বললেন অডিট কমিটি হয়েছে তা আমি জানি না।

এরপরেই তথ্য গোপন বন্ধ করে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে দুই সরকার এক সিদ্ধান্ত আসার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বলছি অনেক হয়েছে, তথ্যের উপরে দাঁড়ান, সত্যের উপর দাঁড়ান, বাস্তবের উপরে দাঁড়ান। চারটে না দশটা জেলা সেটা নিয়ে ঝগড়া করবেন না। ঝগড়া না করে দুই সরকার পারস্পরিক আলোচনা করে একই তথ্যের উপর দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য এক, আর কেন্দ্র সরকারের দেওয়া তথ্য আর এক। কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকছে না। বন্ধ করুন মানুষ খুব কষ্টের মধ্যে আছে। অযথা রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে গরিব মানুষগুলোর বিপদ বাড়াবেন না। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে উলুখাগড়ার প্রাণ যাচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া উচিত। এটা খুব বেঠিক হচ্ছে।’

একই সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের যে দায়িত্ব পালন করা উচিত সে দায়িত্ব কিন্তু সরকার পালন করছে না। পাঁচ কেজি চাল এক কেজি ডাল পরিবার পিছু দেওয়ার কথা। কিন্তু তা দিতে পারছে না, ব্যর্থ। বাজারে হাল খুব খারাপ। পরিবার পিছু সাড়ে সাত হাজার করে টাকা পৌঁছে দেওয়ার দাবি করা হয়েছে কিন্তু কেন্দ্র সরকার চুপ।’

Related Articles

Back to top button
Close