fbpx
কলকাতাহেডলাইন

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন মমতা: রাহুল সিনহা

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: ভিন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে ফের বিরোধ বেঁধেছে রাজ্যের। মহারাষ্ট্র, কেরল,গুজরাট,দিল্লির মতো রাজ্যে বাংলার লক্ষাধিক শ্রমিক আটকে রয়েছেন। এইসব দূরের রাজ্যগুলি থেকে ট্রেন ছাড়া ফেরানো সম্ভব নয়। রাজ্যের তরফে দিল্লিকে তার জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার কটাক্ষ, ‘পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতি বন্ধ করুন।’

তিনি বলেন, ‘ লকডাউনের একেবারে শুরুর দিকে আমি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ভিন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হতে অনুরোধ করেছিলাম। অনেক পড়শী রাজ্যই তখন নিজেদের রাজ্যের আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছিল। আর উনি তখন চাল চুরি আর করোনা মৃত্যুর তথ্য চাপতে ব্যস্ত ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ যখন রাজস্থানের কোটা থেকে বাসে ছাত্র ছাত্রীদের ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে তখন অন্য রাজ্য থেকে কেন আটকে পড়া শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনা যাবে না? আরে চেষ্টা তো করুন। আগেই হাত তুলে নেওয়া। আমরাও স্বরাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরাও উদ্বিগ্ন ভিনরাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকদের নিয়ে। তাই বলছি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজনীতি না করে কিছু করুন।’

এদিকে রাজ্যের মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, এখন থেকে আর করোনা মৃত্যু অডিট কমিটির কাছে পাঠানো হবে না। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে রাহুল সিনহা বলেন, ‘ স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় অযোগ্যতা হলো তিনি বলেছেন অডিট কমিটির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। সবকিছু সচিব জানেন। তাহলে দফতরের মন্ত্রী হয়ে তিনি করছেন কি? আর এই যে সব মৃত্যুর অডিট না করার সিদ্ধান্ত, এটা কেন্দ্রীয় দলের চাপে পড়ে নিয়েছে। কারণ এখন মৃত্যু চাপা মুশকিল হয়ে গিয়েছে। তাছাড়া ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মীরা এখন চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ। বাঙুর হাসপাতালের সুপার যাদবপুর থানাকে জানিয়েছেন মর্গে আর মৃতদেহ রাখার জায়গা নেই। সেই খবর বাইরে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘরে বাইরে চাপে পড়ে তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিলো সব করোনা মৃত্যু অডিট কমিটির কাছে পাঠানো হবে না।’

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগে হাইকোর্টে দিলীপ ঘোষ

বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক আরও বলেন, ‘কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের করোনা আক্রান্ত , মৃতের সংখ্যা মিলছে না এটা পুরোনো ঘটনা। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যের রেডজোনের সংখ্যাও মিলছে না। কেন্দ্রীয় তথ্য অনুযায়ী রাজ্যের ‘ রেড জোনের’ তালিকায় যতোগুলি জেলা রয়েছে রাজ্যের ‘ রেড জোনের’ তালিকায় থাকা জেলার সংখ্যা তার চেয়ে কম। আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলছি তথ‌্য নিয়ে এই লুকোচুরি বন্ধ করুন। তানাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।’

Related Articles

Back to top button
Close