fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

চিনকে রুখতে মায়ানমারকে সাবমেরিন INS সিন্ধুবীর দিল ভারত

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখের পর সমুদ্রে চিনকে পাল্টা চাপে ফেলতে নয়া কৌশল ভারতের। প্রতিবেশী মায়ানমারের সঙ্গে নৌ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দিন ভারতের ডিজেল চালিত আইএনএস সিন্ধুবীর সাবমেরিনটি তুলে দেওয়া হয় মায়ানমার নৌ বাহিনীর হাতে

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই মায়ানমারের তরফে ৩০০০ টনের এই সাবমেরিনকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বান্দোলা মহড়ার সময় কম্যান্ডার ইন চিফ জেনারেল মন আউং হিয়াংয়ের তত্ত্বাবধানে অংশ নিয়েছিল আইএনএস সিন্ধুবীর।

গত বছর ডিসেম্বর মাসেই জানা গিয়েছিল, আইএনএস সিন্ধুবীরকে মোতায়েন করার তোড়জোড় শুরু করেছে মায়ানমার। এমনকি চলতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাস থেকে সমুদ্রের তলায় সাবমেরিনের মধ্যে থেকে কীভাবে নিজের কাজ করতে হয় সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়াও শুরু করেন নৌসেনা আধিকারিকরা।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সরকারিভাবে আইএনএস সিন্ধুবীরকে মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়া হল। রাশিয়ায় তৈরি এই সাবমেরিন ৩১ বছর পুরনো হলেও গত বছর বিশাখাপত্তনমে হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ড লিমিটেডে এই সাবমেরিনকে আরও আধুনিক করে তোলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, “এর মাধ্যমে সমুদ্রে মায়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরালো হবে। আমাদের ভিশন সাগর (সিকিওরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিওন) প্রকল্পের আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।”

এর আগে গত ৪ ও ৫ অক্টোবর মায়ানমার সফরে গিয়েছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে ও বিদেশসচিব হর্ষ শৃংলা। ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার তরফে অনেক সামগ্রীই দেওয়া হয়েছে মায়ানমারকে। তার মধ্যে মেরিটাইম পেট্রল এয়ারক্রাফট, নাভাল গান বোট, লাইট ওয়েট টর্পেডো, লাইট আর্টিলারি গান, মর্টার, নাইট ভিশন ডিভাইস, গ্রেনেড লঞ্চার, রাইফেল প্রভৃতি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

চিনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে নয়াদিল্লিও। তাই মায়ানমারের সঙ্গে একটি সম্পর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি। কারণ মায়ানমারের সঙ্গে ১৬৪৩ কিলোমিটার ভূ-ভাগ ও তাছাড়া সমুদ্রে সীমান্ত রয়েছে ভারতের। তাই এই দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভাল থাকলে চিনের আগ্রাসন রুখতে অনেকটাই সুবিধা হবে ভারতের।

Related Articles

Back to top button
Close