fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউন সফল করতে কড়া প্রশাসন! বাড়তি নজর কলকাতায়

ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি মাসের দ্বিতীয় লকডাউন এ দিন। এই মাসের প্রথম লকডাউন ছিল গত পাঁচ তারিখ। আনলক পর্বে কোভিড সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সাপ্তাহিক এই লকডাউন পদ্ধতি কার্যকর করতে তত্‍পর হয়েছে পুলিশ। আগের লকডাউনের দিনগুলিতে কড়া হাতেই নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করতে দেখা গিয়েছিল পুলিশকে।  কলকাতা, হাওড়ার পাশাপাশি গোটা রাজ্যজুড়ে চলছে লকডাউন। লকডাউন সফল করতে পথে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। একেবারে কড়া হাতে মানা হচ্ছে নিয়ম। আজ শনিবার সকাল থেকে পূর্ণ লকডাউন শুরু হয়েছে। হাওড়া ব্রিজে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে নাকা চেকিং চলছে।

সকাল ৬টা থেকে রাজ্যব্যাপী শুরু হওয়া এই লকডাউন চলবে রাত ১০টা অবধি। তার জেরে চলবে না কোনও প্রকারের যানবাহন, খোলা থাকছে না কোনও দোকানবাজার, বন্ধ থাকছে সমস্ত রকমের সরকারি ও বেসরকারি অফিস। তবে থানা, হাসপাতাল, দমকল, সংবাদসংস্থার মতো জরুরি পরিষেবা ভিত্তিক কার্যালয়গুলি যেমন খোলা থাকছে তেমনি চালু থাকছে এই সব ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা সহ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, ওষুধের দোকান ও দুধের দোকানও। এদিন সকাল থেকেই চোখে পড়েছে রাজ্যের নানা প্রান্তে রাস্তায় নেমে লকডাউন সার্বিক করে তুলতে রীতিমত কোমর বেঁধেছে পুলিশ ও প্রশাসন। বাড়তি নজর অবশ্যই রয়েছে কলকাতায়। কারণ এই শহরেই এখন দিনপ্রতি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

এদিন কার্যত রাজ্যজুড়েই চোখে পড়েছে লকডাউন সফল করতে পুলিশের কড়া মনোভাব। রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় মোড়ে মোড়ে পুলিশ পিকেট তো রয়েইছে একই সঙ্গে বেশ কিছু এলাকায় চলছে টহলদারির কাজও। গ্রামীণ এলাকাগুলিতেও চলছে কড়া নজরদারি। যেখানেই লকডাউন উপেক্ষা করার মানসিকতা পুলিশের চোখে পড়েছে সেখানেই পদক্ষেপ নিচ্ছেন আইনের রক্ষকেরা। কোথাও লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যাচ্ছেন তো কোথাও জরিমানা করছেন, কোথাও পিঠে দু-চার বসিয়েও দিচ্ছেন। আবার কোথাও পাকড়াও করে সোজা থানায় চালান করে দিচ্ছেন। বেশ কিছু জায়গায় বড় রাস্তা শুনসান থাকলেও পাড়ার ভিতরে জটলা চোখে পড়ছে। সোর্স মারফত বা ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির জেরে সে সব চোখে পড়লেই মুহুর্তের মধ্যে সেখানে হাজির হচ্ছে জিপ। তবে আসানসোল-দূর্গাপুর শিল্পাঞ্চল, হলদিয়া শিল্পাঞ্চল, ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল, হাওড়া-হুগলি শিল্পাঞ্চল এলাকাগুলিতে যেখানে যেখানে শিল্পসংস্থার অন্দরে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে সেখানে কাজ চলছে অনান্য দিনের মতোই। তবে হাজিরা কমই রয়েছে সেখানে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্য ব্যয়সঙ্কোচ, এবার কর্মীদের সন্তানদের শিক্ষা খাতে ভাতা বন্ধের নির্দেশ রেলের

লকডাউন কার্যকর করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছিল পুলিশকে। আজ শনিবার লকডাউনে প্রশাসনের কড়া নজর রয়েছে। পরের সপ্তাহে আর কোনও লকডাউন হচ্ছে না।এই মাসের ২০, ২১, ২৭, ২৮ এবং ৩১ আগস্ট তারিখে লকডাউন হবে সারা রাজ্য জুড়ে। ইতিমধ্যেই বঙ্গে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯ হাজার ৬৬৬ পার করেছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৯১২ জন। এই কোভিড সংক্রমণের শৃঙ্খলা ভাঙতেই লকডাউন চলছে সারা রাজ্যে।

Related Articles

Back to top button
Close