fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

নেই প্রিয়দা, এবার চলে গেলেন সোমেনও…’প্রিয় বন্ধু’র স্মৃতিচারণায় সুব্রত মুখার্জি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার প্রয়াত হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা রাজনৈতিক মহলে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন দীর্ঘদিনের বন্ধু সুব্রত মুখার্জি। রাজ্যে কংগ্রেসের ভীত শক্ত করতে বহুদিন আগে একসঙ্গে সেই পথচলা শুরু হয়েছিল প্রিয় অর্থাৎ প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি-সোমেন-সুব্রত-র। এরপর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে রাজনীতির অনেক জল। কখনও সহমত আবার কখনও ভিন্নমত হয়েছে। কিন্তু অটুট থেকেছে তাঁদের সম্পর্ক। প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সি আগেই চলে গিয়েছেন । বৃহস্পতিবার চলে গেলেন সোমেন মিত্র।

তাঁর স্মৃতিচারণায় সুব্রত বলেন, ছয়ের দশকের মাঝামাঝি ছাত্র পরিষদের দুই উদীয়মান নেতা। সেই সময় উত্তর কলকাতার যুব কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেতা সোমেন মিত্র। তিনি যেহেতু কলকাতার ছেলে তাই রাজনীতিতে সোমেন মিত্রের সহযোগিতা প্রিয়রঞ্জনকে নিতেই হতো। ছাত্র রাজনীতিতে সোমেন মিত্রের সাহস এবং সাংগঠনিক শক্তিকে সবসময় ব্যবহার করেছেন প্রিয়দা। সোমেনের সেই লড়াকু মনোভাব এবং সাহস তৎকালীন নকশাল আন্দোলনকে দমন করতে ভীষণভাবে সাহায্য করেছে। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল বঙ্গীয় রাজনীতিতে “প্রিয়-সোমেন-সুব্রত”-র একসঙ্গে পথচলা।

তিনি আরও বলেন,  মাকে হরিদ্বার বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন সুব্রত মুখার্জি। বাবা কলকাতায়। বাবার মৃত্যুর খবর আচমকা আসে। দিশাহারা হয়ে পড়েন তিনি। সেই সময় মাসিহা হয়ে এলেন সোমেন। খবর দেওয়া থেকে শুরু করে সুব্রতদা কলকাতায় ফিরে না আসা পর্যন্ত মরদেহ দুদিন ধরে সংরক্ষণ করে রাখা, সবরকম সহযোগিতা করেছিলেন সোমেন মিত্র। যা সুব্রত মুখার্জি আজও ভুলতে পারেনি আর কোনদিন ভুলতে পারবে না।

Related Articles

Back to top button
Close