fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর কি বিপর্যয়ে চলে গেল? প্রশ্ন সুজনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর কি বিপর্যয়ে চলে গেল? ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর ছ’দিন কেটে গেলেও কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের একাধিক জেলায় বিদ্যুৎ ও জলের সংকট না মেটায় মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা কর্পোরেশন ও সিইএসসির বিরুদ্ধে এই প্রশ্ন তুলেই তোপ দাগলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা তথা সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

 

 

 

রবিবার রাত থেকেই নিজের বিধানসভা কেন্দ্র যাদবপুরের একাধিক জায়গায় ঘোরেন সুজন চক্রবর্তী। সোমবার সকালেও দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় বাম কর্মীদের উদ্যোগে রাস্তায় পড়া গাছ কেটে সরানোর কাজে তদারকি করেন তিনি। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী, কলকাতা কর্পোরেশন ও সিইএসসির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন সুজন। আগাম পূর্বাভাস থাকার সত্বেও এই রকম দুর্বিসহ অবস্থা কেন সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘কখনো এরকম হয়নি, ছয় দিন ছয় রাত পেরিয়ে গেল বিদ্যুৎ নেই, জল নেই। বিপর্যয় চূড়ান্ত। এত নিখুঁত এবং আগাম পূর্বাভাস থাকা সত্ত্বেও কেন আমরা প্রস্তুত হতে পারলাম না? বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর কি বিপর্যয়ে চলে গেল? ক’দিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছি কলকাতায়, জেলার মধ্যে, বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ নেই জল নেই। দেখা নেই সিইএসসি বা কর্পোরেশনের।

 

 

 

বিভিন্ন জায়গায় থানা পুলিশ মাতব্বরি করছে। তাও কোনও কোনও জায়গায় করছে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কি হচ্ছে এটা? গোটা পশ্চিমবঙ্গটাকে বিপর্যয়ে ফেলে দিল। কলকাতায় যদি ছয় দিন আলো জলের ব্যবস্থা না হয় তাহলে রাজ্যের বাকি জেলা গুলোতে কি অবস্থা হচ্ছে সেটা নিশ্চয়ই বোঝা যাচ্ছে। এ ব্যর্থতা পুরোপুরি সরকারের এবং কেএমসির। অফিসার বদল করছে, এই করছে, ওই করছে আসলে কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। কাকে বলিনি, পুলিশ কমিশনার, কর্পোরেশনের কমিশনার, সিইএসসি, এমনকি মুখ্যমন্ত্রী কে জানিয়েছি দ্রুত সিএসসি টিম এসকালেক্ট করুন। কিন্তু ছ’দিন পরেও কিছু হল না।’

 

 

 

এরপরেই সিইএসসি ও কলকাতা কর্পোরেশনকে কটাক্ষ করে সুজন বলেন, ‘সিএসসি শুধুমাত্র ছবি কিনলি হবে না আর বিদেশে ঘুরলে হবে না। কর্পোরেশনেও কে কত বড় নেতা সেটা শুধু দেখালে হবে না। সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে। মানুষকে বাঁচাতে হবে। আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করবো, ছ’দিন হয়ে গেল কলকাতা সহ রাজ্যের অবস্থা দুর্বিষহ আর বিপদে ফেলবেন না দয়াকরে দায়বদ্ধতার পরিচয় দিন। সাহায্য করতে হয় আমরা ১০০ ভাগ আছি। কিন্তু রাজ্যকে সর্বনাশ করতে দেবেন না। সর্বনাশ এর হাত থেকে বাঁচান।’

Related Articles

Back to top button
Close