fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আবারও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাবেন পর্যটকেরা, খুলে দেওয়া হবে সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলি

বিশ্বজিৎ হালদার, কাকদ্বীপ : ঘূর্ণিঝড় আমফানের কারণে, সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের জীবন এখন শুধুই অন্ধকারে। মাথার উপর ছাদ নেই, পেটে দু’বেলা ভাত নেই, নেই রোজগারও। এই পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষগুলির যাতে কিছুটা সুরাহা হয়, তাই ১৫ জুন থেকেই সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্র গুলিতে, পর্যটকদের যাওয়ার অনুমতি দিল রাজ্য সরকার। আর এই রাজ্য সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই, পর্যটকদের জন্য নতুন করে সেজে উঠছে সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলি।

 

 

 

তবে, সুন্দরবনে ঘুরতে গেলেও, মানতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। মাস্ক পরা ও স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্যে বরাদ্দ লঞ্চগুলিও প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে। তবে ১০ বছরের নিচের শিশু ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণদের আপাতত সুন্দরবনে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সরকার। এই নিয়মগুলি ছাড়াও, ২ সিলিন্ডার যুক্ত বোটে সর্বোচ্চ ১২ জনকে, ৪ সিলিন্ডার বোটে ১৮ জন, ৬ সিলিন্ডার বোটে ২৫ জন এবং বড় লঞ্চে ৩৫ জন যাত্রী তোলা যাবে বলে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। বোটে ওঠার আগে যাত্রীদের প্রত্যেকের তাপমাত্রাও দেখা হবে।

 

 

 

তবে ২ জুন থেকে রাজ্যের সবচেয়ে বড় তীর্থস্থান গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমের দরজা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীরাও গঙ্গাসাগরে স্নান সেরে মন্দিরে পুজো দিচ্ছেন। এছাড়াও বকখালি পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল গুলিও খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে পর্যটকরা সুন্দরবনে এলে, সুন্দরবনবাসীদের কিছুটা সুরাহা হবে বলেই, মনে করছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

Related Articles

Back to top button
Close