fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

রবিবার যুগশঙ্খ সংবাদপত্রের উল্লেখযোগ্য খবরগুলো পড়ুন (প্রথম অংশ)

করোনা জুজু! বাংলা ছাড়লেন ৩৫৪ নার্স!

রক্তিম দাশ ও অভীক বন্দোপাধ্যায়, কলকাতা, ১৬ মে: করোনা আবহে নয়া সংকট। বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ভিন রাজ্যের নার্সরা কলকাতা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। মহামারি সংক্রমণের লড়াইয়ে দিশেহারা চিকিৎসা ব্যবস্থার মধ্যেই এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালগুলো মূলত ভিন রাজ্যের নার্সের উপর নির্ভরশীল। করোনা পরিস্থিতির সংকটজনক সময়ে মণিপুর সরকার কলকাতা থেকে ১৮৫ জন নার্সকে রাজ্যে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি ওড়িশা ও ত্রিপুরা থেকে আসা, বিভিন্ন হাসপাতালের নার্সরাও ফিরে যাচ্ছেন তাঁদের রাজ্যে। সূত্রের খবর, চিকিৎসা পরিষেবা দিতে গিয়ে করোনা সংক্রমণের ভয়েই তাঁরা ফিরে যাচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ তথা ন্যাশানাল ডক্টর অ্যাসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক ডা, সোমনাথ সরকার বলেন,‘ ভিন রাজ্যের নার্সরা স্বাস্থ্যজনিত নিরাপত্তাহিনতার কারণে চলে যাচ্ছেন। এটা এরাজ্যের নার্সের ক্ষেত্রেও হবে। আমরাদের রাজ্যে কোনও পরিকল্পনাও নেই পরিকাঠামোও নেই। এখানে মাইনে বেশি বলেই তাঁরা আসতেন। এর চাপ সরকারি পরিষেবাতেও পড়বে। কারণ সরকারি বেশিরভাগ হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা হচ্ছে। বেসরকারিতে অন্য রোগের চিকিৎসাগুলো হচ্ছিল। এবার তা বন্ধ হবে। এটা সরকারিভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।’
সোমনাথবাবুর দাবি,‘ এটা শুরু। আরও ভয়াবহ দিন আসতে পারে। এত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তার রিপ্লেস হবে কি করে? রাজ্য সরকার এজন্য দায়ি। আমরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।’

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের উত্তর-পূর্বের সিইওএমএইচ ডা. অর্চনা মজুমদার বলেন,‘ রাজ্য সরকারের দূরর্শীতার অভাবে রাজ্যবাসীকে ভুগতে হবে। বাংলায় জনসংখ্য অনুসারে অন্য রাজ্যগুলোর তুলনায় অনেক কম চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী আছে। এখানে নাসিং পড়ার যে পরিকাঠামো দরকার ছিল তা হয়নি। যার ফলে আমরা দক্ষিণ ভারত এবং উত্তর-পূর্বের উপর নির্ভরশীল। দুমাস হাতে পেয়েও রাজ্য সরকার কোভিডকে মোকাবিলা করার জন্য স্বাস্থ্যকর্মী তৈরি করেনি। যাঁরা কাজ করছেন তাঁরা ছুটি ছাড়া টানা কাজ করে যাচ্ছেন যেকোনও সময়ে এই ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে যদি বিকল্প না ভাবা হয়।’

কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক গৌরি কুমড়া বলেন,‘ পরিস্থিতি খুব খারাপ। নার্সিং স্টাফরা মানসীক ভাবে ভেঙে পড়ছেন। এদের চলে যাওয়াটা সরকারি ভাবে আটকানো দরকার। না হলে খুব বড় সংকট দেখা দেবে। নার্সিং স্টাফদের আমাদের থেকেও দায়িত্ব বেশি নিয়ে কাজ করতে হয়। আমরা বিকল্পভাবে ট্রেনি স্টাফদের কাজে লাগাচ্ছি একজন অভিজ্ঞ নার্সকে সঙ্গে রেখে। সরকারের উচিত যাঁরা অবসরে গিয়েছেন তাঁদের পুনরায় কাজে ফিরিয়ে নিয়ে যতটা সম্ভব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা।’

প্রতিরক্ষায় বাড়ছে বিদেশি লগ্নি
অস্ত্র উৎপাদনে এফডিআইয়ের ঊর্ধ্বসীমা বেড়ে ৭৪%

ইন্দ্রাণী দাশগুপ্ত, নয়াদিল্লি ১৬ মে: চতুর্থ দিনের আথিক প্যাকেজে প্রতিরক্ষা খাতে ৭৪% বিদেশি বিনিয়োগের ছাড়পত্র কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী একই সাথে কয়লা,  খনিজ পদার্থ,  প্রতিরক্ষা উৎপাদন, আকাশসীমার ব্যবস্থাপনা, এমআরও, বিদ্যুৎ বন্টন  ব্যবস্থা, মহাকাশ বিজ্ঞান  এবং পরমাণু  বিদ্যুত ক্ষেত্রে নতুন পরিকাঠামো উন্নয়ন উন্নয়নের জন্য আর্থিক সংস্কারের পথে হাঁটলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

মেক ইন ইন্ডিয়া অর্থাৎ আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যবসায়িক সরলীকরণ করনের কথা ও ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার বলে এদিন উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

মূলত প্রথম তিন দিনে ঘোষণায় যে মাঝারি ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্প এবং কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নে মাধ্যমে যেভাবে গরিব মজদুর কৃষক পরিযায়ী শ্রমিকসহ দেশের প্রান্তিক মানুষদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার পরিকাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল। চতুর্থ দিনের ঘোষণায় এই পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য প্রচুর লগ্নি নিবেশের বন্ধ দরজা মূলত খুলে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণে বলেছিলেন করোনা সংকটকে সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে একে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সেই ভাবনা থেকে শনিবারের আর্থিক সংস্কার বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

কারণ করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চিনের উপরে এখন মূলত বিরক্ত প্রথম বিশ্বের দেশ গুলি। অনেক বহুজাতিক সংস্থায় চীন থেকে তাদের ব্যবসা গোটাবে বলে মনঃস্থির করেছে। সেই জায়গায় তাদের প্রথম পছন্দ দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারত ।সেই জায়গা থেকে যাতে ভারতের বৃহৎ শিল্পের দরজা খুলে যায় এবং বিদেশি বিনিয়োগ  আসে সেই জন্যই শনিবারের আর্থিক সংস্কারের ঘোষণা বলে মনে করছে অর্থনীতিবিদরা। এর ফলে দেশে যেমন আর্থিক ব্যবস্থার অগ্রগতি উন্নয়ন হবে এবং একই সাথে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হওয়ার ফলে বাজারে চাহিদা ও যোগানের পড়বে তার ফলে ধীরে ধীরে চাঙ্গা হবে ভারতীয় অর্থনীতি

 চতুর্থ দিনের ঘোষনা গুলি:-

১| কয়লা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকারের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান ঘটলো। নতুন 500 টি ব্লগ তৈরি করে তার কয়লা উৎপাদনে ভার বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে। এর ফলে দেশে যে বিপুল পরিমাণ কয়লা রয়েছে তার যেমন যোগান বাড়বে তেমনি কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবেৎ বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

২| প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশী লগ্নির পথ খুলে দেওয়া হলো। অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে এফডিআই- অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগের এর সর্বোচ্চ সীমা ৪৯% বাড়িয়ে ৭৪% করা হলো।

৩| কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বেসরকারিকরণের চিন্তাভাবনা। এর ফলে গ্রাহকেরা সুলভে যথেষ্ট বিদ্যুৎ পরিষেবা পাবেন এবং লোড শেডিং  হলে সেই বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কোম্পানিকে পেনাল্টি ও করা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

৪| ভারতীয় আকাশসীমার যত বেশি সম্ভব বিমান কোম্পানি গুলিকে ব্যবহার করার অনুমতি দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এখনো পর্যন্ত মাত্র ৬০% আকাশসীমা ব্যবহার করে বিমান সংস্থাগুলি। এই শতাংশ বাড়ালে বিমানের জ্বালানি কমবে তেমনি সময় কম লাগবে। তার ফলে ভাড়া কমবে, এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে। একই সাথে দুটি ধাপে আরো নতুন বারোটি আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর পিপিপি মডেলে তৈরি করা হবে সারা দেশ জুড়ে।

৫|  কয়লার মতোই খনিজ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও জোর দেওয়া হবে এবং পরিকাঠামো বাবদ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকা এক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হয়েছে।

৬| প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উপরে দেশীয় প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিতে হবে। বিদেশে থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি করে নিয়ে না এসে দেশীয় প্রযুক্তিকে উৎসাহ দেওয়া হবে।

৭| মহাকাশ বিজ্ঞান কে আরো উন্নত করার লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং সেক্ষেত্রে ইসরো সহযোগিতা পাবে এই সংস্থাগুলি।

৮| ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগ নিরাময় এবং বর্তমানের করোনা সংকটকালে ভারতবর্ষে যেভাবে সারা পৃথিবী কে ঔষধ সরবরাহ করেছে সে ক্ষেত্রে মেডিকেল আইসোটোপ তৈরীর জন্য পরমাণু বিদ্যুতের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু বিশেষ পদ্ধতিগত পরিবর্তন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে ও বেসরকারিকরণের কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বাড়ছে না বাস ভাড়া
চলবে ট্রাম, হাজার অ্যাপ ক্যাব

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা, ১৬ মে: বাস ভাড়া বাড়ছে না। শনিবার  সাধারণ মানুষকে সস্তি দিয়ে নবান্ন একথা ঘোষণা করেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি শীঘ্রই ট্রাম চালু করা হবে বলে জানান তিনি। মানুষের সুবিধার জন্য হাজার অ্যাপ ক্যাব পথে নামানোর কথাও বলেন।

এদিন শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দেন, কোনওভাবেই বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানোয় মত নেই সরকারের। এখন মানুষের চরম দুর্দিন চলছে। এই সময় সরকারি বাসের ভাড়া যেমন বাড়ছে না, তেমনই বেসরকারি বাসের ভাড়াও বাড়ানো যাবে না। পুরনো ভাড়ায় যাঁরা বাস চালাতে চাইবেন, তাঁদের স্বাগত। সরকার তাঁদের সবরকম সহযোগিতা করবে।

পরিবহণমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জরুরি পরিষেবার কর্মীদের জন্য সরকারি বাস পথে নামিয়েছি। আগামী সপ্তাহ থেকে যাতে আধঘণ্টা অন্তর বিভিন্ন রুটে বাস চালানো যায় সেটা দেখছি।”

আগামী সপ্তাহ থেকে  রাজ্যজুড়ে বেসরকারি বাস পরিষেবা শুরু করতে চেয়েছিল বাস মালিক সংগঠনগুলি। তবে বাস মালিকরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভাড়া হবে তিনগুন। ন্যুনতম ভাড়া হবে ২০ টাকা। কিন্তু শনিবার পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন। অন্যদিকে, বাসমালিক সংগঠনগুলি আবার ভাড়া বিন্যাসের বিষয়ে সরকারের দ্বারস্থ হবে বলে জানিয়েছে।

পরিবহণমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, জলপথে সরকারি লঞ্চ পরিষেবা ও ট্রাম পরিষেবা শুরু করার বিষয়েও সরকার ভাবনাচিন্তা করছে।তবে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখেই তা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তৃনমূল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না, বললেন স্বপন

শংকর দত্ত, কলকাতা, ১৬ মে: রাজ্যে করোনা মোকাবিলায় মমতা সরকার যে অনেকটাই ব্যর্থ এ কথা বারবার উঠে আসছে রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতাদের মন্তব্যে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দীলিপ ঘোষ থেকে রাহুল সিনহা কিংবা মুকুল রায়েরা প্রতিদিনই নিয়ম করে রাজ্যের সমালোচনা করেছেন। এবার করোনা নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য রাখলেন বিজেপির বুদ্ধিজীবী সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। একই সঙ্গে তৃণমূলকে বিঁধেও দিশা দেখালেন নিজের দলকেও।

কী বললেন তিনি ? কোভিড-১৯ এবং পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ নিয়ে আসোসিয়েশন ফর ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গল বেঙ্গলের আলোচনায় তাঁর মূল বক্তব্য, ‘বর্তমান পরিস্থিতি রাজ্যে তৃনমূল আর কোনোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। একদিকে রেশন দুর্নীতি ও অন্যদিকে করোনার মৃতের তথ্য গোপন করা এগুলো মানুষ মেনে নেবে না। ‘ যে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি নিজের দলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এটা বিজেপি কর্মীদের কাছে একটা দারুন সুযোগ। নিজেদের প্রমান করবার এমন সুযোগ আর সহজে আসবে না।’।

একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, ‘ তবে মানুষ কী ধরনের বিকল্প চাইছেন,সেটাও আমাদের ভেবে দেখতে হবে।’ তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে তাঁর ঘরতর অভিযোগ, ‘আসলে এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদের কোণঠাসা করে নিজে সমস্ত কৃতিত্ব নিতে গিয়ে নিজেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোণঠাসা হয়ে গেছেন।’ তাঁর তীব্র অভিযোগ, ‘কোভিড মোকাবিলায় রাজ্য সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ।উনি আসলে এই বিষয়টাকেও সাইক্লোন বা বন্যা বিপর্যয় পরিস্থিতির মতো ভেবেছিলেন।’

নিজের দল বিজেপির তাঁর টোটকা, ‘আমাদের শুধু আন্দোলন করলেই চলবে না।কৃষি থেকে শিল্প সমস্ত ক্ষেত্রেই মানুষকে কী বিকল্প দেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে ভাবতে হবে। এবং এই ভাবনা মানুষের মনে তুলে ধরতে হবে।’ প্রসঙ্গত বিজেপির এই রাজ্যসভার সাংসদের রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে শিক্ষিত বুদ্ধিজীবী ভাবমূর্তি যথেষ্ট স্বীকৃতি। তিনি যে সব ব্যাপারে সব সময় মুখ খোলেন তেমনটা নয়। তবে রাজ্যের কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি বাংলার সরকারকে তিরবিদ্ধ করতে ছাড়েন না। একই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির নানা কার্যকলাপ প্রসঙ্গেও তিনি নিজের দলের বিভিন্ন নেতাদের প্রসঙ্গে তির্যক মন্তব্য করে থাকেন। যে নিয়ে দলের মধ্যেও তিনি বহু ক্ষেত্রে বিতর্কিত থেকে যান।

কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতে যাবেন না! মমতাকে সতর্ক করলেন ধনকর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা, ১৬ মে: সংঘাতের আবহ বজায় রেখেই শনিবার সকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য ফের টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এদিন সকালে তিনটি টুইট করেন তিনি। প্রথম টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘করোনার ক্ষেত্রেই হোক বা রাজ্যের উন্নয়নের প্রশ্নে, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সংঘাত ও প্রতিদ্বন্দ্বীমূলক অবস্থান রাজ্যের পক্ষে ঠিক নয়।’

দ্বিতীয় টুইটে রাজ্যপাল লিখেছেন, ‘কেন্দ্র দ্বারা ঘোষিত আর্থিক প্যাকেজের লাভ পেতে ব্যবসায়ীদের ও সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। রাজ্য সরকারের উচিত কৃষিজীবিদের হিতার্থে ও জনস্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসারের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনাগুলি রূপায়িত করা।’

আর্থিক প্যাকেজের দ্বিতীয় দফায় ২৫ লাখ নতুন কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তৃতীয় টুইটে এই প্রসঙ্গ টেনে এনে রাজ্যপাল  লেখেন, ‘ইতিমধ্যেই কৃষিতে সাত হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। এখন ক্ষতিগ্রন্থ কৃষকরা একমাত্র কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই লাভবান হতে পারেন।’

কখনও চিঠি, কখনও টুইট। রাজ্যের দুই শীর্ষ ব্যক্তিত্বের সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত। এদিনের টুইট সেই টানাপোড়েনকে আরও প্রশস্ত করল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

পুরো সংবাদপত্র পড়তে সাবস্ক্রাইব করুন epaper.jugasankha.in

Related Articles

Back to top button
Close