fbpx
দেশহেডলাইন

#SurenderModi পাকিস্তান ও চিনকে উত্‍সাহিত করেছে , রাহুলকে কড়া জবাব অমিতের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত ও চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। লাদাখ ইস্যুতে লাগাতার আক্রমণের মুখে রাহুল গান্ধীকে পালটা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । আলোচনা করতে হলে সংসদে আসুন। সেনা জওয়ানরা যখন সীমান্তে লড়াই করছে, তখন এমন কিছু বলবেন না, যাতে চিন এবং পাকিস্তানের সুবিধা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাফ কথা, সরকার বিতর্কে যেতে ভয় পায় না। আলোচনা করতে হলে ৬২’র যুদ্ধ থেকেই শুরু করতে হবে।

অমিত শাহ বলেন, রাহুল গান্ধি ক্ষুদ্র রাজনীতির মধ্যে লিপ্ত রয়েছেন।” শাহ আরও বলেন যে সংসদে লাদাখ সংঘর্ষের বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি ভয় পান না। বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার জোর বিতর্কের জন্য প্রস্তুত।

লাদাখে চিনের আগ্রাসন নিয়ে শুরু থেকেই কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর বিরোধীরা। বিশেষ করে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতিকে বারবার প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন। রাহুলের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চিনের সামনে আত্মসমর্পণ করেছেন। চিন ভারতের জমি দখল করে বসে আছে, অথচ মোদি তা স্বীকার পর্যন্ত করতে চাইছেন না। কখনও প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভীতু’ বলে কটাক্ষ করেছেন, আবার কখনও নরেন্দ্র মোদির পরিবর্তে ‘সারেন্ডার মোদি’ বলে আহ্বান করেছেন। প্রায় প্রতিদিনই টুইটারে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছে রাহুলকে। রবিবার সকালেও তিনি টুইটারে ছোট্ট একটি প্রশ্ন রেখেছিলেন সরকারের উদ্দেশ্যে। প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির প্রশ্ন ছিল, সরকার দেশভক্তি এবং দেশের সুরক্ষা নিয়ে কবে আলোচনা করবে?

আরও পড়ুন: “করোনা খিদের থেকে ভাল”, ফের ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা

অমিত শাহ বলেন, “সংসদ অধিবেশন হবে। আপনি যদি আলোচনা করতে চান তবে আমরা করব। ১৯৬২ সালের যুদ্ধ থেকে আজ অবধি সব নিয়ে আলোচনা করা উচিত। আলোচনায় কেউ ভয় পায় না। তবে যখন দেশের সেনারা লড়াই চালাচ্ছে, সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা করেছে। সেই সময়, পাকিস্তান ও চিনকে খুশি করার বক্তব্য দেওয়া, এটি করা উচিত নয়।” শাহ বলেছেন, “রাহুলের আত্মবিশ্লেষণ করা উচিত। ওঁর ব্যবহার করা #SurenderModi হ্যাশট্যাগ এখন চিনা এবং পাকিস্তানিরা ব্যবহার করছে। হ্যাঁ সরকার ভারত-বিরোধী অপপ্রচার রুখে দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে। কিন্তু কংগ্রেসের মতো এত বড় রাজনৈতিক দলের প্রাক্তন সভাপতির এই ধরনের মন্তব্য বেদনাদায়ক।”

Related Articles

Back to top button
Close