fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানের পরে নন্দীগ্রামে কে এসেছিল? নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য

রাজকুমার আচার্য, নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এখন রাজ্য রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচ্য ব্যক্তিত্ব। তিনি এখন কোথায় কোথায় যাচ্ছেন এবং সেখানে কী বলছেন তা জানতে আগ্রহী রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার নন্দীগ্রামে কালিপুজো উদ্বোধনে এসে তাঁর বক্তব্যে মিশে রইল কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা।
নন্দীগ্রামের ৫০ বছরের পুরোনো টাউন ক্লাবের কালিপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘সব অনুষ্ঠান, সব উৎসবে থাকি আর বোমগুলির আওয়াজ হলে ছুটে চলে আসি। চোখের জল পড়লে মোছানোর জন্য আসি। আমফানের পরে নন্দীগ্রামে কে এসেছিল? আমফানের পর এখানে কেউ আসেনি। আমি একমাস ধরে কারেন্ট কী করে আসবে তার চেষ্টা করেছি। প্রতিদিন কিছু কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ করতে করতে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ সুযোগের জন্য প্রতিদিন লেগে থেকেছি। নিজের কথা নিজে বলব না। লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়।’
মহামান্য আদালতের নির্দেশেকে মান্যতা দিয়ে তিনি এদিন মণ্ডপে ঢোকেননি। একটি ছোট্ট মেয়ের হাত দিয়ে পুজোর উদ্বাধন করেন। টাউন ক্লাব ছাড়াও তিনি নন্দীগ্রাম জোয়ারভাটা স্পোটিং ক্লাবেরও পুজো উদ্বাধন করেন। তিনি বলেন, ‘মণ্ডপের মধ্যে ঢুকতে পারলাম না মণ্ডপের মধ্য কেবলমাত্র পুজো কমিটির লোক ছাড়া কারও যাওয়া নিষেধ। তাই একটি ছোট্ট মেয়েকে দিয়ে পুজোর উদ্বাধন করা হয়েছে। অনেক দূরে প্রদীপ জ্বালিয়ে মাকে প্রণাম করলাম। টাউন ক্লাব ৫০  বছর নয়, আরও অনেক বছর ধরে মায়ের আরাধনা করুক। বিগত ১০ বছর ধরে আমি না হলে আমার বাবা শিশির অধিকারী এসে এঁদের পুজো উদ্বোধন করেছি। এঁদের প্যাণ্ডেল, মূর্তি কোনও কিছুতেই আমরা টাকা দিই না। ভালবেসে ডাকেন তাই আসি।’

Related Articles

Back to top button
Close