fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

একটু দেখে নেবেন পাশের বাড়িটাকে, বার্তা সৌমিত্র খাঁ এর

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস: করোনা আবহে পরিস্থিতির ঘেরাটোপে মানুষ গৃহবন্দি। কে, কোথায়, কি ভাবে আছে, প্রাথমিক অবস্থায় সত্যিই জানা অসম্ভব। এমতাবস্থায় রাজ্যের সর্বস্তরের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এর বার্তা, একটু দেখে নেবেন পাশের বাড়িটাকে। স্বাভাবিক জনজীবনে অস্বাভাবিক ছন্দপতনে মানুষ যে কোন মুহুর্তে অসুবিধা কিংবা সমস্যায় পড়তে পারে। একজন সচেতনশীল নাগরিক হিসাবে আমাদের প্রত্যেকেরই পবিত্র কর্তব্য, নিজে সহ নিজের পরিবারের পর প্রতিবেশী সম্পর্কে ও একটু খোঁজ খবর নেওয়া। সমাজে আমরা প্রত্যেকেই শুধুমাত্র এইটুকু কর্তব্য পালন করলেই আমরা নিশ্চিত। কেউ তেমন কোন অসুবিধার শিকার হবেন না, এবং পড়লেও একে অন্যের সহযোগিতায় স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে। অত্যন্ত আবেগ প্রবন হয়ে কথা গুলো বললেন, বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

আরও পড়ুন: সাধারণের স্বার্থে ১৫টি দাবি নিয়ে ব্লক আধিকারিককে চিঠি এসইউসিআই-এর

সৌমিত্র বাবুর আরও বলেন, আমি সহ রাজ্যের ১৮ জন সাংসদ এবং রাজ্যের বিজেপি বিধায়করা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কল্পে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। রাজ্য সরকার আমাদের কাজ করতে দিচ্ছে না, বিভিন্ন অজুহাত সামনে এনে আমাদের কে বার বার আটকে দেওয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা এ রাজ্যের সাংসদ রা প্রত্যেকেই পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ইতিমধ্যেই এক কোটি এক হাজার টাকা সহ প্রত্যেকের এক মাসের বেতন দান করেছি। রাজ্য সরকারের তহবিলে ও দিতে চাই কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা অচ্ছুৎ। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অঙ্গুলি হেলনে জেলা শাসক কিংবা মহকুমা শাসক পর্যায়ের কোন আধিকারিকই এব্যাপারে আমাদের সঙ্গে বসতে কিংবা আলোচনায় অনিচ্ছুক।

মুখ্যমন্ত্রীর স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের জন্য রাজ্যবাসী আমাদের বিভিন্ন পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো বিনামূল্যের রেশন সামগ্ৰী বন্টনের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি। ঘোষণা অনুযায়ী পাচ্ছে না সঠিক পরিমাণে রাজ্যের মানুষ রেশন সামগ্রীও। রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলী দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে নৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বাংলার সর্ব স্তরের মানুষ।

Related Articles

Back to top button
Close