fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আলু থেকে সবজি সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী, আসানসোলের বাজারে হানা দিল টাস্কফোর্স

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল, ২৮ জুলাই: ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে লঙ্কা। টোম্যাটো ৮০ টাকা ও বেগুন প্রতি কেজি ৭০ টাকা। খোলা বাজারে ২৮ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। ৪০/৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া সব ধরণের সবজির দাম এখন ৬০ টাকা পেরিয়ে গেছে। বাজারের দামে হাত পুড়ছে আম জনতার। একদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আটকাতে লক ডাউন চলছে। তারমধ্যে লাগামছাড়া বাজারের দামে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মানুষের।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্সে দল মঙ্গলবার অভিযান চালালো কুলটি ও আসানসোলের বিভিন্ন বাজারে। করোনা ভাইরাসের এমন পরিস্থিতির মধ্যে  যেন অসাধু ব্যবসায়ীরা কালোবাজারি না করতে পারে, তার জন্য জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার মাজির নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয় টাস্কফোর্সের তরফে।

টাস্কফোর্সের দায়িত্ব থাকা রেগুলেটারি মার্কেটিং সেক্রেটারি শুভ্রাংশু রায় বলেন, করোনা আবহে বাজারে জিনিসের দাম ক্রমশ উর্ধমুখী হচ্ছে। এই অবস্থায় সরকার চুপ করে বসে থাকতে পারে না।  তিনি আরও বলেন, বাজার দাম বাড়ার বিভিন্ন কারণ আছে। কিন্তু যে বিষয়গুলি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো সেগুলির উপরেই আমরা নজর দিয়েছি। টাস্কফোর্সের সদস্যরা বলেন,  জেলাশাসক পূর্ণেন্দু কুমার  মাজির নির্দেশে বাজার দর নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি রুখতেই অভিযান চালু হয়েছে।

এদিন টাস্কফোর্স নিয়ামতপুরের বিভিন্ন পাইকারি দোকান গুলোতে হানা দেয়। আলুর দাম ২৫ টাকার উপরে কিনা, কালোবাজারি যাতে না হয় বা অহেতুক স্টক যাতে কেউ করে রাখতে না পারে সেই কারণে অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি ওজনের যন্ত্রগুলি নিয়ে দীর্ঘদিনের যে অভিযোগ ছিল সেই যন্ত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হয়। গরমিল পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের আশা, কয়েকদিনের মধ্যেই আলুর দাম নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে। তবে কবে নাগাদ হতে পারে, তা তারা অবশ্য বলতে পারেননি।

Related Articles

Back to top button
Close