fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফুলহারের স্রোতে ভেঙে গেল হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের অস্থায়ী বাঁশের সেতু, সমস্যায় এলাকাবাসী

মিল্টন পাল, মালদা: টানা বৃষ্টির কারণে বাড়ছে ফুলহার নদীর জল। ফুলহারের স্রোতে ভেঙে গেল হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মিরপাড়া থেকে বিহার যাওয়ার অস্থায়ী বাঁশের সেতু। ঘটনার পর সোমবার থেকে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন দুই পারের বাসিন্দারা। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ভরা নদী এখন নৌকা করে যাতায়াত করছেন গ্রামবাসীরা। সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিনের ফুলহার নদীর জল বিপদসীমার ছুঁয়েছে। এই নদীর জলস্তর চরম বিপদসীমা ২৭.৪৩ মিটার। কিন্তু বর্তমানে ওই নদীর জলস্তর রয়েছে ২৮.৩৫ মিটার। ইতিমধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের মিরপাড়া সহ কয়েকটি এলাকায় নদীর জল ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামবাসীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো বিষয়টির ওপর নজরদারি চালাচ্ছে জেলা প্রশাসনের কর্তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারী বৃষ্টির ফলে ফুলহার নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ফুলহার নদীর উপর মিরপাড়া থেকে বিহার যাওয়ার ক্যানেলের বাঁশের অস্থায়ী সেতুটি ভেঙে গিয়েছ। ৫০০ মিটার লম্বা এই অস্থায়ী সেতুটি দিয়ে প্রতিদিনই অসংখ্য দুই পাড়ের মানুষ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন। কিন্তু নদীর মাঝখান থেকে সেতুটি অস্থায়ী বাঁশের সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় এখন নৌকা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় গ্রামবাসীদের।

মীরপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য, নদীর ওপারে বিহার সীমান্ত। ওই এলাকার বহু মানুষ হরিশ্চন্দ্রপুরে এই অস্থায়ী সেতু দিয়েই যাতায়াত করেন‌ এপার থেকেও বহু মানুষ ওপারে যায়। কিন্তু এখন এই সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম সমস্যা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এই অস্থায়ী সেতুটি তৈরি করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নদীর জলের স্রোতে বাঁশের এই সেতুটি ভেঙে গিয়েছে।

সেচ দপ্তরের মালদার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রণব কুমার সামন্ত জানান, হঠাৎ করে মালদার বিভিন্ন নদীর জল বাড়ছে। ফুলহার নদীর জল বিপদসীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে মিরপাড়া এলাকায় একটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু জলের স্রোতে ভেঙে গিয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

Related Articles

Back to top button
Close