fbpx
দেশহেডলাইন

ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজন অব্যাহত, ২ দিনের লাদাখ সফরে সেনাপ্রধান

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:   সীমান্তের পারদ ক্রমশ উর্দ্ধমুখী, উত্তেজনা থামছে না। একের পর এক আগ্রাসী পদক্ষেপে চিন বুঝিয়ে দিচ্ছে তাদের দখলদারি মনোভাব। এই পরিস্থিতিতে প্যাংগং লেক সংলগ্ন এলাকাগুলির বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে দু’দিনের লাদাখ সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে। ফিল্ড কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। যারা সেনা মোতায়েনের দায়িত্বে আছেন, তাদের কাছ থেকে পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-প্রস্তুতি বুঝবেন।

চিনের উস্কানিমূলক পদক্ষেপের পর দক্ষিণ প্যাংগং লেক সংলগ্ন তিনটি স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনে আরো নজরদারি বাড়িয়েছে ভারতীয় সেনা। পূর্ব লাদাখ জুড়ে জারি করা হয়েছে তীব্র সর্তকতা। প্রসঙ্গত, ২৯ এবং ৩১ আগস্ট লাদাখ সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের পর প্যাংগং লেক সংলগ্ন এলাকায় সেনা সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ভারত- চীন, ভারত- নেপাল এবং ভারত -ভুটান প্রত্যেকটি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে কয়েক গুণ।

ভারতীয় সেনার অবস্থান ঘুরে দেখেন তিনি। সেনা সূত্রে খবর, ফিল্ড কমান্ডাররা লাদাখের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তাঁর কাছে। ইতিমধ্যেই লাদাখের প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তের দখল নিয়েছে ভারতীয় সেনা। ১৯৬২ সালের যুদ্ধে যে পার্বত্য এলাকার দখল নিয়েছিল চিন, সেই এলাকাতেও উড়ছে ভারতের জাতীয় পতাকা। এই পার্বত্য এলাকার মধ্যে পড়ছে বেশ কয়েকটি উপত্যকা ও পর্বত।

চিনা সেনাকে পুরোনো অবস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে ভারত। তবে পূর্ব লাদাখে এখনও বেশ কিছু এলাকায় নতুন করে ঘাঁটি তৈরি করেছে চিনা সেনা। ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর প্যাংগং লেক এলাকায় নতুন করে সেনাছাউনি চোখে পড়েছে। তৈরি হয়েছে চিনা সেনাঘাঁটি। এই এলাকা থেকেই চিনা সেনাকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল ভারত। তবে তাতে যে তারা কর্ণপাত করেনি, তা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুন: প্রতিক্ষার অবসান, প্রায় একযুগ পর ফের কলকাতা-লন্ডন সরাসরি উড়ান

তবে শুধু প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তই নয়, স্পানগার গ্যাপ এলাকাও দখল নিয়েছে ভারতীয় সেনা। এই এলাকা সেনা মুভমেন্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৌশলগত দিক থেকে এই এলাকা যে দেশ প্রভাব ধরে রাখতে পারবে, তারা সামরিক দিক থেকেএ এগিয়ে থাকবে।

এই বিষয়টা মাথায় রেখেই চিন স্পানগার লেকের দক্ষিণ প্রান্তে ইতিমধ্যে একটি রাস্তা তৈরি করেছে চিন। যার মাধ্যমে চিনা সেনা যাতায়াত করতে সক্ষম। ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে চিনা ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া, সশস্ত্র গাড়ি। এই এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে ভারত। ফলে চিনা সেনার মুভমেন্টের ওপর খুব সহজেই নজর রাখতে পারছে ভারতীয় সেনা বলে সূত্রের খবর।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close