fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা রোগীর মৃতদেহ পোড়ানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, স্থানীয়দের পথ অবরোধ, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী

গোপাল রায়, আরামবাগ: করোনা রোগীর মৃতদেহ নদীর পারে ফেলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা । গতকাল রাত থেকে পথ অবরোধ করে রাখল স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের দুইমাইল এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত রবিবার থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ দারকেশ্বর নদীর পাড়ে অল্প মাটি খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হয়। সেই মাটি আবার রাস্তার সারমেয়রা খুরে মৃত দেহগুলি থেকে কারোর হাত কারোর পা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ঘটনায় আরামবাগের গির্জা তলার বাসিন্দাদের মানুষ এক ঘরে করে রেখেছে।

 

হাটে বাজারে ও মেডিসিন কিনতে গেল সেখানে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।এরপরই গির্জা তলার স্থানীয় বাসিন্দারা দোকান মালিক দের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে দোকানদাররা তাদের বলেন, আপনাদের এলাকায় করোনা রোগীর মৃতদেহ ফেলে যাচ্ছে যা বহু ক্ষেত্রেই পচে গন্ধ বেরোচ্ছে তা থেকে তোমাদেরও করোনা হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত, মঙ্গলবার রাতে এক করোনা রোগীর মৃতদেহ নিয়ে এসে ওই সময় পেট্রোল ঢেলে পড়ানোর সময় গ্রামবাসীরা দেখতে পায় ।‌ বৃহস্পতিবার রাতে যখন পুলিশ রাস্তায় টহলদারি দিচ্ছিল ওই ঝাঁপিয়ে গ্রামবাসীরা। পড়ে ঘটনা বেগতিক দেখে পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধতেই পুলিশ গাড়ি ফেলে চলে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা গতকাল রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পথ অবরোধ করে রাখে।পাশাপাশি দারকেশ্বর নদীর চরে ভির জমায় গ্রামবাসী।

এক গ্রামবাসি বাপি মান্ডি বলেন, আমাদের দারকেশ্বর নদীর পাড়ে পুলিশ প্রশাসন দাঁড়িয়ে থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ গুলিকে কিরে অল্প মাটিতে পুঁতে দেওয়া পেট্রোল দিয়ে আধপোড়া করে চলে যাচ্ছে। এর জন্য এলাকায় দোকানদারা আমাদের কোনও মাল দেখছে না ওষুধ কিনতে গেলে ওষুধ দিচ্ছে না। তারা বলছে তোমাদের এলাকায় পর্ন আমি যদিও খেলে যাচ্ছে তোমাদের করোনা হয়েছে তাই তোমাদের মাল বিক্রি করব না। এর কারণে আমরা গতকাল রাত থেকে কত বড় করে রেখেছি। আমাদের দাবি মৃতদেহগুলো যে ফেলে গেছে নদীতে সেগুলো তুলে নিতে হবে। আরামবাগ থানার পুলিশ ও আরামবাগে বিডিও বিশাখ ভট্টাচার্য্য ঘটনাস্থলে যান। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। বিডিও গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দেন এলাকা থেকে মৃতদেহ পোড়ানো পোড়া কাঠ ইত্যাদি সরিয়ে দেওয়া হবে এবং ওই জায়গাটিকে স্যানিটাইজার করা হবে বলে গ্রামবাসী দিকে জানান। বিডিও প্রতিশ্রুতি দিল‌ও। মা মানতে চায়নি গ্রামবাসীরা। পরে বৈকাল আড়াইটা নাগাদ পথ অবরোধ তুলে নেয় বাসিন্দারা।জেলাশাসক ওয়াই রত্নকর জানান ব্যাপারটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, সচেতনতা প্রচার চালানো হবে,একটি প্রতিনিধিদল ব্যাপারটা খতিয়ে দেখবে।

Related Articles

Back to top button
Close