fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পর্যটন ব্যবসাকে বাঁচাতে উদ্যোগী হোক প্রশাসন, দাবী ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসায়ীদের

সুকুমার রঞ্জন সরকার, কুমারগ্রাম: উত্তরবঙ্গ সহ ডুয়ার্সের সবগুলি লজ, রিসর্ট, হোমস্টে খুলে দেওয়া হবে পর্যটকদের জন্য। লাটাগুড়ি সার্কিটে ছেশল্লিটটি, চিলাপাতা সার্কিটে উনচল্লিশটি, জলদা পাড়া ও বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্তর্গত সবগুলি লজ, রিসর্ট ও হোম স্টে ও খুলে দেওয়া হবে বলে জানান আলিপুরদুয়ার জেলা টুরিজম এর কর্মকর্তা বিমল রাভা।

 

 

 

করোনা পরিস্থিতিতে লক ডাউনের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল লজ, রিসর্ট ও হোম স্টে গুলি। ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা পড়েছিল মুখ থুবড়ে। এগুলি খুলে দেবার জন্য কর্মীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে, লজ, রিসর্ট ও হোম স্টে গুলি স্যানিটাইজেশন ও করা হয়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা ও প্রস্তুত পর্যটকদের স্বাগত জানাতে।  তাদের আশঙ্কা পর্যটকদের আসা নিয়ে। তারা জানান, সরকারিভাবে খাতায় কলমে জুলাই মাসের এক তারিখ থেকে পর্যটন ব্যবসা শুরু হয়ে যাবে কিন্তু তারজন্য যেসব প্রক্রিয়া প্রশাসনিক স্তরে গ্রহন করা উচিত ছিল সেগুলো করা হয়নি। পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান প্রথমত যেসব এলাকায় লজ, রিসর্ট ও হোম স্টে সেসব এলাকার স্থানীয় মানুষেরা পর্যটকদের আসার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করছেন, তাদের যুক্তি কলকাতা বা অন্যান্য সংক্রামিত এলাকা থেকে পর্যটকরা আসবেন। তাদের মাধ্যমে এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে। এক্ষেত্রে প্রশাসনের উচিত ছিল স্থানীয় মানুষ, গ্রাম পঞ্চায়েত, পর্যটন ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনা সভা করা। প্রশাসনিক স্তরে সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

 

 

 

 

দ্বিতীয়ত পর্যটক আবাসস্থল গুলি স্যানিটাইজেশন ও কর্মীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষন হয়ে যাবার পর প্রশাসন থেকে যে শংসাপত্র ষ্টিকার আকারে দেবার কথা তা প্রদানের প্রক্রিয়াও শুরু হয়নি বলে জানান বক্সা টাইগার রিজার্ভ এলাকার জয়ন্তী টুরিস্ট গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শেখর ভট্টাচার্য্য। তিনি আরও জানান, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ফরেস্ট চেকপোস্ট এখনো বন্ধ সেটি খোলার কোনো নির্দেশিকা বন দপ্তর থেকে আসেনি। ফলে পর্যটকরা জয়ন্তী সহ অন্যান্য এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেননা। পাশাপাশি বন দপ্তরের জঙ্গল সাফারি বন্ধ রয়েছে, পর্যটকদের আসার জন্য একটিমাত্র ট্রেন চালু আছে। চলছে বর্ষার মরসুম। এত প্রতিকুল পরিস্থিতিতে পর্যটকরা কত সংখ্যায় ডুয়ার্সে আসবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবী পর্যটন দফতর, বন দফতর ও প্রশাসন মিলে যৌথ পরিকল্পনা গ্রহন করে পর্যটন ব্যবসাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুক। তা না হলে আসন্ন পুজোর মরশুমেও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেনা ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসা।

Related Articles

Back to top button
Close