fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ফের আন্দোলনে নামছে সিএএ-এনআরসি বিরোধীরা!

মোকতার হোসেন মন্ডল: আবার পথে নামতে যাচ্ছে সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলনকারীরা। সামাজিক মাধ্যমে এই নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘বিতর্কিত’ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন আনার পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। গড়ে ওঠে ধর্না মঞ্চ। লকডাউনের কারণে সেই আন্দোলন বন্ধ। কিন্তু সিএএ বিরোধীদের অভিযোগ, করোনা ভাইরাস জনিত রোগে দেশ যখন লকডাউনে আছে তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে বিভিন্ন আন্দোলনকারী সমাজ কর্মীদের নামে মামলা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাই শারীরিক দূরত্ব মেনেই পথে নামতে হবে।

কলকাতায় সিএএ বিরোধী একাধিক আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা সাদাব মাসুম এই প্রতিবেদককে জানান,”অনলাইনে আন্দোলন হচ্ছে কিন্তু সব সময় অনলাইনে প্রতিবাদ হবে না। সামাজিক দূরত্ব মেনে দরকারে পথে নাম। আন্দোলন না চললে বিপদ, কেননা লকডাউনের সময় সিএএ, এনআরসি বিরোধী সমাজ কর্মীদের গ্রেফতার করছে। এটা অত্যন্ত নিম্ন কাজ, জোরালো প্রতিবাদ হওয়া দরকার।”

মঙ্গলবার সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার, দলিত নেতা জীগনেশ মেবানি, জামিয়ার ছাত্রী আয়েশা রেন্না সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সিএএ বিরোধী পরিচিত নেতাদের একটি অনলাইন বৈঠক হয়। লকডাউনে আন্দোলন বন্ধ দেখে সমাজকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে নো এনআরসি মুভমেন্ট, ইন্ডিয়া এগেনিস্ট সিএএ-এনআরসি-এনপিআর প্রভৃতি গ্রুপে নিয়নিত প্রতিবাদ চলছে। দেশজুড়ে প্রায় ২৭৫টি শাহিনবাগ তৈরি হয়েছিল। বাংলায় ১৫টি ধর্না চলছিল। লকডাউনের ফলে তারা ধর্না মঞ্চ ছেড়ে ত্রাণের কাজ করছে। তবে পার্কসার্কাস আন্দোলনের একজন নেতা বলেন, লকডাউন হচ্ছে করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে। কিন্তু এই সময় আন্দোলনকারীদের নামে মামলা দুর্ভাগ্যজনক। এসব বন্ধ হওয়া উচিত, আর নাহলে প্রতিবাদ করব।
জয়ভীম ইন্ডিয়া নেটওয়ার্কের নেতা

শরদিন্দু উদ্দীপন জানান, লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে দেশে যা হচ্ছে তার প্রতিবাদ করতে হবে। সিএএ মতুয়াদের জন্য একটা ধাপ্পা। প্রতিবাদ করতে হবে। লকডাউন উঠলেই বহুজন মানুষ আরও জোরালো আন্দোলন করবে।”

সিএএ-এনআরসি বিরোধী নেতা মানিক ফকির নিয়মিত সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে যাচ্ছেন। তার মতে, সিএএ উদ্বাস্তু মতুয়াদের জন্য একটা ধোকা। কিন্তু আমরা একজন উদ্বাস্তুকে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে দেব না।

Related Articles

Back to top button
Close