fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফান স্বজন পোষন নিয়ে তৃণমূলের গ্রাম প্রধানের বিরুদ্ধে থানার অভিযোগ করল বিডিও

মিলন পণ্ডা, হলদিয়া: আমফানে টাকা নিয়ে তৃণমূল নেতাদের স্বজন পোষন ও দলবাজি নিয়ে একাধিক অভিযোগ করেছে বিরোধী দল বিজেপি ও সিপিএম। এনিয়ে পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিওর কাছে ডেপুটেশন দিয়েছে বিরোধী দলগুলি। এবার ক্ষতিগ্রস্ত তালিকা দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম প্রধানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন এলাকার বিডিও। ঘটনার সামনে আসার পর গোটা রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া মহাকুমার সুতাহাটা ব্লকের আশাদতলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ঘটনার সামনে আসার পরই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি।

জানা গেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সুতাহাটা ব্লকের আশাদতলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রধান শিবানী বাকুলি নিজের প্রভাব খাটিয়ে এককি পরিবারের সুভাষচন্দ্র পড়িয়া ও স্ত্রী পাপিয়া পড়িয়া দুইজনের ক্ষতিপূরণের তালিকায় নাম নতিযুক্ত করেছেন। সেই তালিকা সুতাহাটা বিডিও কাছে পাঠানো হয়ছিল। ক্ষতিপূরনের তালিকার দুইজনের নামে দেখে বিডিও সঞ্জয় সিকদার এলাকা তৃণমূলের প্রধান শিবানী বাকুলি নামে সুতাহাটা থানার অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার সামনে আসার পরই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানোউতর শুরু করেছে।

যদিও সুতাহাটা থানার বিডিও সঞ্জয় সিকদার এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যামের কাছে কিছু মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ঘটনার জানার পর আশাদতলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রধান শিবানী বাকুলি জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান থানায় অভিযোগে কথা তার জানা নেই। এ বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করবেন না। সুতাহাটা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তাপস কুমার মাইতি বলেন, এলাকার প্রধান শিবানী বাকুলি পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন ক্ষতিপূরণের তালিকা জন প্রতিনিধিরা করেনি। বরং প্রশাসনের আধিকারীরা এই তালিকা করেছেন। তিনি খোঁজ খবর নিয়ে দেখেছেন প্রাপকের অ্যাকাউন্টে এখনো পর্যন্ত টাকা ঢোকেনি।

তমলুক সাংগঠনীক জেলার বিজেপি সহ সভাপতি প্রলয় পাল বলেন, আমরা এতদিন আমফানে স্বজনপোষন নিয়ে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে দ্বারস্থ হয়েছিলাম। এবার এলাকায় বিডিও ঠিক কাজ করেছেন। তৃনমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিবানী বাকুলি বিরুদ্ধে স্বজনপোষনের জন্য থানায় অভিযোগ জানালেন। এলাকায় প্রধান একই বাড়িতে দুইজনের নাম দিয়ে সেই ক্ষতিপুরনের টাকা নিজের আত্মসাতের করার পরিকল্পনা ছিল। তৃনমূল নেতা নেত্রীদের দুর্নীতি কোন জায়গার পৌঁছেছে।আমফানে টাকা নিজেরা আত্মস্বাত করার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি আরও বলেন, বিডিও অভিযোগ জানানো জন্য সেখান সভাপতি ও সহ সভাপতি ধমক চমক দিচ্ছে। কোন আমাদের অনুমতি না নিয়ে থানায় অভিযোগ জানালেন। একই বাড়িতে দুটি ক্ষতিপূরণের প্রাপক গ্রামের বাসিন্দা পাপিয়া পড়িয়া বলেন, স্বামী কর্মসূত্রে বিদেশে থাকলেও এলাকার তৃণমূলে প্রধানের সঙ্গে কোনো ভাবেই ব্যক্তিগত আলাপ নেই। গ্রামের বাসিন্দারা কটাক্ষ করে বলছে চিটিংবাজী করে আমি টাকা নিয়েছি। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কিনা এখনো তা জানিনা। যদি টাকা ঢোকে তাহলে সেই টাকা ফেরত দিতেও রাজি আছি। তিনি আরও বলেন, প্রধান আমি চিনি না। প্রশাসনের গাফিলতি কারনে এমন ঘটনা বলে দাবি করেন।

Related Articles

Back to top button
Close