fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের, বিদ্যুৎ চালিত ইঞ্জিনেই চলবে ট্রেন

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়ি:  এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের এখন থেকে আর ডিজেল ইঞ্জিনে টানবে না রেলওয়ের যাত্রী কিংবা পণ্যবাহী কোচ গুলিকে এবার থেকে এনজেপি সহ অসম উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের দূর পাল্লার ট্রেন চলবে বিদ্যুৎ চালিত ইঞ্জিনের মাধ্যমে আপতত এনজেপি পর্যন্ত চালানো হলেও, আগামী বছরের মধ্যে তা সম্পূর্ণ সীমান্ত রেল পর্যন্ত চালানোর চেষ্টা করা হবে আর মঙ্গলবার থেকেই সেই অধ্যায়ের সূচনায়, দিল্লিগৌহাটি ব্রহ্মপুত্র মেল নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে এসে পৌঁছালো বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে

উত্তরবঙ্গ সহ গোটা উত্তরপূর্বের রাজ্য গুলির মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল, বৈদ্যুৎ চালিত ট্রেন চালু হোক উত্তরবঙ্গের রেলওয়ে ট্রাকে। অবশেষে সেই দাবী পূরণ করছে রেলওয়ে দপ্তর। এতদিন দিল্লি থেকে ব্রহ্মপুত্র মেল পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন স্টেশন পর্যন্ত বিদ্যুৎ চালিত ইঞ্জিনের মাধ্যমে আসতো। এরপর ইঞ্জিন বদল করে তা ডিজেল ইঞ্জিনের মাধ্যমে গৌহাটিতে পৌছাতো গোটা ট্রেন। সে পণ্যবাহী হোক বা যাত্রীবাহী। গত রবিবার দিল্লি থেকে ব্রহ্মপুত্র মেল ডিজেল ইঞ্জিন এর পরিবর্তে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে এনজেপির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মঙ্গলবার ট্রেনটি এনজেপি স্টেশন এসে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে এসে পৌঁছায় নির্ধারিত সময়ের আগেই। এরপর সময়মতো ব্রহ্মপুত্র মেল ইঞ্জিন বদল করে ডিজেল ইঞ্জিন লাগিয়ে গোহাটির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

আরও পড়ুন: সুশান্ত কাণ্ডে নয়া মোড়, স্বজনপোষণে লিপ্তদের ছবি বয়কটের ঘোষণা রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের

প্রসঙ্গত লকডাউনের আগে এনজেপি থেকে শতাব্দি এক্সপ্রেস ট্রেন সহ আরও দু একটি ট্রেন বিদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে পরীক্ষামূলক ভাবে চালু হলেও, পরবর্তি সময়ে লকডাউনের জেরে গোটা দেশেই সব ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে লকডাউন এর মধ্যে স্পেশাল ট্রেন হিসেবে ব্রহ্মপুত্র মেলকে চালানো হচ্ছিল। এবার তা নতুন সংযোজনের মধ্যে দিয়ে চলাচলে সাবলিক করা হলো। সোমবার অসামের মালিগাঁও থেকে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের জনসংযোগ আধিকারিক শুভানন্দ চন্দ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, মঙ্গলবার ব্রহ্মপুত্র মেল দিল্লি থেকে আপাতত এনজেপি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে। এবং আগামী বছরের মধ্যেই তা গৌহাটি পর্যন্ত বৈদুকরনের কাজ সম্পন্ন করে গৌহাটি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে ট্রেন চালানো চেষ্টা করা হচ্ছে। তখন যেকোনো অঞ্চল থেকে সমস্ত ট্রেন গৌহাটি পর্যন্ত বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবে

Related Articles

Back to top button
Close