fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

খুটিপুজো করে শারদ উৎসবের সূচনা ভাঙড়ের প্রমিলাদের

ফিরোজ আহমেদ, ভাঙড়: খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শারদ উৎসবের শুভ সূচনা করলেন ভাঙড়ের প্রমিলারা। বৃহস্পতিবার মহালয়ার দিন খুঁটি পুজোর আয়োজন করেছিল ভাঙড়ের শতধারা প্রমিলা সংঘ। সেই অনুষ্ঠানে ঢাক বাজিয়ে এবছরের পুজোর সূচনা করেন লেদার কমপ্লেক্স থানার আইসি স্বরুপকান্তি পাহাড়ি। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাশীপুর থানার ওসি প্রদীপ পাল ও স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান মোদাসের হোসেন। করোনা বিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব, মাস্কের ব্যবহারের মধ্যে দিয়েই এদিনের অনুষ্ঠান হয়। পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন চিকিৎসক, পুলিশ, নার্স যারাই করোনা যোদ্ধা এবছর তাঁদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি করোনার করাল গ্রাসে মারা গেছেন এমন ব্যক্তির পরিবারবর্গের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হবে পুজোর দিনগুলিতে।

২০১৬ সালে যখন পাওয়ার গ্রিডের অশান্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে ভাঙড়ে তখন শান্তির খোঁজে পাওয়ার গ্রিড এলাকা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে কাশীপুরে মাতৃ আরাধনা শুরু করে প্রমিলা সংঘ। তথাকথিত ক্লাব বলতে যা বোঝায় এটা ঠিক তা নয়।গ্রামের সাধারণ গৃহবধূরা নিজেরাই একটা সংগঠনের মধ্যে এসে চাঁদা তুলে পুজো শুরু করেন।পুজো কমিটির সম্পাদিকা রীনা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘সারা বছর হেঁশেল সামলে পুজোর চারটে দিন আমরা আনন্দে মাতি। নিজেরাই পুজোর যাবতীয় জোগাড় করি।মন্ডপ ,প্রতিমা, বিষয় ভাবনায় এত অভিনবত্ব থাকে যে এই পুজোটাই ভাঙড়ের সেরা পুজোর শিরোপা পেয়ে থাকে।‘

অতিমারি করোনার জেরে এবার পুজোর বাজেটে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কাঠ ছাঁট করা হয়েছে। তবে সামজিক দায়বদ্ধতা কমেনি। অসহায় দের জন্য রেশন বিলি, আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করা হবে পুজোর চারদিন। গরীব পরিবারের বাচ্ছাদের নতুন জামা কাপড় প্রদান করা হবে। এছাড়া দর্শনার্থীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার না থাকলে বিলি করা হবে বলে জানান পুজো কমিটির সভাপতি পাপিয়া চক্রবর্তী। আইসি স্বরুপকান্তি পাহাড়ি বলেন, ‘এরকম গণ্ডগ্রামের মহিলারা যে ভাবে একজোট হয়ে পুজো করছে তা সত্যি অভাব্বনীয়। আমি এদের সাফল্য কামনা করি।‘

Related Articles

Back to top button
Close