fbpx
কলকাতাবিনোদনহেডলাইন

দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ালো বঙ্গীয় চলচিত্র ও সাংস্কৃতিক সংঘ 

শংকর দত্ত, কলকাতা: বঙ্গীয় চলচিত্র ও সাংস্কৃতিক সংঘ বা বিসিএসএস এর উদ্যোগে একটি ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সম্প্রতি উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক বিজেপি নেতা রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপির নেতা এন মোহন রাও, বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক তথা টালিগঞ্জের বিজেপি নেতা মিলন ভৌমিক।

বিসিএসএস পক্ষে টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়াতে প্রতিদিনের কলাকুশলী থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা যারা দিন এনে দিন খান, সেই সমস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন মিলন ভৌমিক ও তার সহযোগী টিম।

মিলনবাবু জানান, এই কাজে তার সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার বহু বিজেপি নেতা ও কর্মী সহযোগী মনোভাব নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। মূলত তাঁদের প্রচেষ্টা ও ভালোবাসায় তিনি কাজ করতে উৎসাহিত হন। তিনি বলেন, আমার পাশে আছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, রাজ্য সহ-সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব। তাঁরা আমার সব কাজে শুভেছা জানান, আমাকে অনুপ্রেরণা দেন। এছাড়া আমার জেলা নেতা মোহন রাও আমাকে সমস্ত বিষয়ে সহযোগিতা করেন।’

তাঁর দাবি, তাঁর সহযোগী হিসেবে সঙ্গে আছেন ভাস্কর সোম, বিজেপি টালিগঞ্জ মণ্ডল ১-এর সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহা এবং শিল্পী সুরজিৎ দেবনাথ। সঙ্গে আছেন ৯৭ নং ওয়ার্ডে বিজেপি কর্মী সুশান্ত ভট্টাচার্য, ৯৫ ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা দিলীপ চন্দ, স্টুডিও পাড়ার প্রোডাকশন স্পট বয় সুব্রত দত্ত প্রমুখ। তাঁরা সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় এই লকডাউনের সময় প্রায় ৬০০ সাধারণ মানুষ, বিজেপি কর্মী ও কলাকুশলীর হাতে ত্রাণ তুলে দেয় এই সংস্থা।

এদিন ত্রাণ বিলি অনুষ্ঠানে এসে বিজেপি ও সংঘের বুদ্ধিজীবি নেতা রন্তিদেববাবু বলেন,’ আমি বিসিএসএসকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোটো করব না। কারণ বিসিএসএস যার আদর্শে এগোচ্ছে, তার নাম নরেন্দ্র মোদি। যার বিশ্বাস ‘সব কা সাথ সব কা বিশ্বাস’। সুতরাং বিসিএসএস -এর পক্ষে মিলনদা সঠিক কাজ করছেন।’

এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির পরিচিত মুখ দিলীপ চন্দও। তিনিও মিলন বাবু এক যোগে দাবি করেন, আজ পর্যন্ত বিসিএসএস নিজেদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় এলাকার বহু দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এবং আগামী দিনেও তাঁরা সংগঠিত ভাবে আরও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান। এলাকায় যাতে একজনও দুঃস্থ মানুষ অভুক্ত না থাকে সে বিষয়ে তারা নজর রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

তাদের বক্তব্য, ‘দলমত নির্বিশেষে সকলের পাশে আমরা থাকব। আর এভাবে মানুষের পাশে থাকলে মানুষ ২০২১ সালে নিশ্চিত বিজেপিকে ক্ষমতায় আনবে এ রাজ্যে।

‘প্রসঙ্গত মিলনবাবু বেশ কয়েক বছর ধরে নিভৃতে বিজেপি দলটার সঙ্গে যুক্ত। এক সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে একটি ছবি বানাতে গিয়ে শাসকের রক্ত চক্ষুর স্বীকার হন বলে তিনি জানিয়েছেন। বাংলা চলচ্চিত্রের বেশকিছু শিল্পী কলাকুশলীদের নিয়ে তিনি বিসিএসএস নামে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন। যাঁর মাথায় আছেন বিজেপির অন্যতম রাজ্য সহ-সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী বা বালুবাবু।

এক ভিডিও বার্তায় বালুবাবু এদিন জানান, ‘রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি সংস্থার কাজে বেশি সময় দিতে পারি না। তবে মিলনবাবুর সমস্ত প্রচেষ্টাকে সম্মান করি। সংস্কৃতি জগতের মানুষ হিসাবে পরিচিত হলেও মিলনবাবু রাজনৈতিক মতাদর্শভাবে আমাদের সমর্থন করেন। তাঁর সংস্থা যে কাজ মানুষের জন্য করছে তাকে আমি সমর্থন জানাই। ভালো কাজে আমি সব সময় তাঁর পাশে আছে।

সংস্থা সম্পর্কে একটি ভিডিও বার্তায় বিজেপি নেত্রী ও সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র স্ত্রী সুজাতা মন্ডল জানিয়েছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বিসিএসএস ও মিলনবাবু যেভাবে কাজ করছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁদের সব ভালো কাজের সঙ্গে আমি আছি।’ এখন দেখার আগামীদিনে মিলনবাবুর জয়যাত্রা কোন পথে এগোয়।

Related Articles

Back to top button
Close