fbpx
একনজরে আজকের যুগশঙ্খদেশহেডলাইন

দক্ষিণ ভারতে শক্তি বাড়ছে বিজেপির

নয়াদিল্লি: নিজামের শহর থেকেই কি দক্ষিণ ভারতে শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করল বিজেপি। ১৫০ আসন বিশিষ্ট গ্রেটার হায়দরাবাদ পুরনিগমের সদ্য সমাপ্ত ভোটে আসন বাড়িয়ে ৪ থেকে ৪৮-এ উঠে এল মোদি-শাহর দল। আর তারপরই বিজেপির উত্থান ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

 

এর আগে ২০০৯ সালে এই পুরবোর্ডে ৬টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু ২০১৬ সালে ফল খারাপ হয়। মাত্র ৪টি আসনে জয়লাভ করেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু ২০২০-র নির্বাচনে অনেকটাই ঘুড়ে দাঁড়াল বিজেপি। টিআরএসকে হারাতে না পারলেও দক্ষিণ ভারতে বিজেপির এই উত্থানে স্বভাবতই খুশির হাওয়া দলের অন্দরে। এই ফলাফল ‘উৎসাহজনক’ বলে মনে করেন বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র গোপালকৃষ্ণ। তিনি বলেন, ‘হায়দরাবাদের নির্বাচন ইঙ্গিত দেয় যে, দক্ষিণ ভারতে বিজেপির আধিপত্য আরও বাড়তে চলেছে। এই ভোটে বিজেপি খুবই ভালো ফল করেছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা দক্ষিণ ভারতে আমাদের সরকার গঠনের চেষ্টা করছি।’ তাঁর কথায়, ‘কর্ণাটকের পর তেলেঙ্গানা আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।’

 

আগামী বছর তামিলনাড়ুর নির্বাচনে দল আরও ভালো ফল করবে বলেও আশাবাদী তিনি। এদিন পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধেও সরব হন গোপালকৃষ্ণ। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাল চিন্তাভাবনা শেষ হয়ে আসছে। অমিত শাহ বলেছিলেন, বাংলার পর আমরা কেরলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হিসেবে বিবেচনা করি। ধীরে ধীরে কেরলে কমিউনিস্টরা আমাদের শ্রমিকদের ওপর অত্যাচার বাড়াচ্ছে। ওদেরও আমরা নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়েছি’। তবে ধীরে চলার নীতিই যে অনুসরণ করতে চান এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন গোপালকৃষ্ণ। বললেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিক ভাবে ক্ষমতা দখল করার জন্য কোনও তাড়াহুড়ো করছি না। হায়দরাবাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে জোটের রাজনীতি করার কোনও যৌক্তিকতা আছে বলেও মনে করছি না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই।

 

উল্লেখ্য, শুক্রবারই গ্রেটার হায়দরাবাদ পুরনিগমের ভোতের ফল প্রকাশিত হয়। মোট ১৫০টি আসনের মধ্যে টিআরএস ৫৫টিতে জয়ী হয়েছে। বিজেপির দখলে এসেছে ৪৮টি। মিম ৪৪টি আসন পেয়েছে। কংগ্রেস দুটি আসনে জয়ী হয়েছে। বাকি ১টিতে (নেরেদমেট ওয়ার্ড) হাইকোর্টের নির্দেশে গণনা বন্ধ রয়েছে।

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close