fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গব্লগহেডলাইন

টিএমসির গণতন্ত্র ধ্বংসের রাজনীতি বিজেপি শেষ করবে

দিলীপ ঘোষ: গত বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বা জনসভাতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে একটা কথা বার বার বলেছিলেন যে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে গণতন্ত্র পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে রাজনৈতিক কর্মসূচীও পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। যে কারণে দল বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। গণতন্ত্রে বিরোধীদের মুখ বন্ধের চেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। সবারই ন্যায় পাওয়ার অধিকার আছে।” এটা যদি কেউ ভেবে থাকেন যে মোদিজি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে এই রাজ্যের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাহলে তৃণমূলের ৯ বছরের শাসনকালের সামান্য বিশ্লেষণ করলেই আপনারা উত্তর পেয়ে যাবেন।

স্বাধীনতার যে অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের রাজ্যের মানুষ তাদের জীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন তার প্রধান লক্ষ্য ছিল একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সমতাভিত্তিক ভারতবর্ষ নির্মাণের কিন্তু আজ ৭৩ বছর পর আমাদের প্রাণের পশ্চিমবঙ্গে কি এর মধ্যে কোনটার সামান্য প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই?

এটা খুবই দুর্ভাগ্যের যে, যেকটা রাজনৈতিক দল এই রাজ্যে শাসনভার সামলেছে, তাদের কেউই সমাজে সঠিক গণতান্ত্রিক প্রয়োগের ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারেনি। আর যদি স্বৈরাচারী সত্ত্বাকে সামনে রেখে রাজ্য পরিচালনার বিশ্লেষণ করা হয় তাহলে বর্তমান শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএমকে বহু যোজন পেছনে ফেলে দেবে| যে সংবিধানের শপথ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর পদভার গ্রহণ করেছিলেন সেই পবিত্র গ্রন্থে সাধারণ নাগরিকের যে সব অধিকারের উল্লেখ আছে তার কোনটাই তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাই হোক বা সামাজিক সমতা, ধর্ম চর্চার অধিকার হোক বা মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন, এর কোনটাই আমাদের রাজ্যের মানুষের কপালে জোটেনি। টিএমসি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাত্রাধিক মুসলিম তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে আজ বাংলার সংস্কৃতি ভয়ঙ্কর অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। তাই দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হয়, সরস্বতী পুজো করার অধিকার আমাদের রাজ্যের মানুষ হারাতে বসেছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের কিন্তু এটাই বাস্তব।

আরও পড়ুন:প্রতিশ্রুতি রাখলেন ট্রাম্প… ফের ১০০টি উন্নতমানের ভেন্টিলেটর তুলে দেওয়া হল ভারতের হাতে

২০১১ সালে ৩৪ বছরের বামফ্রন্টের পতনের পর অনেকেই হয়তো ভেবেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করবে এবং এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য একটা আদর্শ সমাজ গঠন করবে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার আগে গালভরা প্রতিশ্রুতির বন্যার আজকের বাস্তবের সঙ্গে কোন মিল আছে কি? একথা ঠিক যে তিনি দুর্নীতিবাজ ও হিংস্র বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে পরিবর্তন এনেছিলেন কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস তাদের গত ৯ বছরের শাসনকালে যে পরিমাণ রাজনৈতিক হিংসা, গুপ্ত হত্যা, বিরোধীদের উপর আক্রমণ ও অবাধ দুর্নীতির নজির গড়েছে তাতে বিগত দিনের সব কটা সরকারকে ছাড়িয়ে গেছে। আর তাই আজ মানুষ সেই পরিবর্তন থেকে পরিত্রাণ চাইছে। তিনি শুধুমাত্র ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যেই পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন একথা আজ প্রমাণিত। যিনি নিজেই এত পরিবৰ্তনপন্থী ছিলেন তিনি আজ কিসের ভয়ে আর পরিবর্তন চাইছেন না? তাই কি তিনি যাতে কোন বিরোধী শক্তি মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে তার সমস্ত ব্যবস্থা করে রেখেছেন। পুলিশ, প্রশাসন আর দল সব মিলেমিশে একাকার। সরকার আর তৃণমূল দুটোই আজ প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে, উন্নয়ন আর গণতন্ত্র দুটোর পরস্পর বিরোধী অবস্থান। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের যে এতো বছর বাদেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারলেন না, তিনি শুধুই তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মানুষের উপর জুলুমবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
তৃণমূল কোনওকিছু না পাল্টে পরিবর্তনের দাবি করছে।

আরও পড়ুন:গুগল নিয়ে এল ‘কর্ম জবস’ অ্যাপ… মিলবে পছন্দমতো চাকরির সন্ধান

মমতা ব্যানার্জির আমলের পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের নামে প্রতারণা হয়েছে। স্বাধীনতার পরে কংগ্রেস সরকার দীর্ঘ সময় রাজ্য শাসন করেছে কিন্তু কিছু সময় বাদ দিলে তাদের সময়কালের পশ্চিমবঙ্গ ছিল অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের আখড়া। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে কেড়ে নিয়েছিল কংগ্রেস, যার গর্ভ থেকে তৃণমূলের জন্ম। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বলপূর্বক মানুষের লড়াইকে শেষ করা থেকে শুরু করে সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের আমলে নকশাল আন্দোলন ঠেকাবার জন্য নির্বিচারে হত্যা, কংগ্রেস সরকার তার স্বৈরাচারী মনোভাবের পরিচয় পদে পদে দিয়েছিল। বামপন্থীদের বিস্তর অভিযোগ ছিল তদানীন্তন কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে। তারা নাকি বিরোধী দল হিসেবে কোন রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পরিসর কখনই পায়নি। প্রতিটি অধিকারই নাকি তাদের লড়াই করে অর্জন করতে হয়েছিল। কিন্তু যারা কৃষকের জমি ও ফসলের অধিকার, ক্ষেতমজুরের, কলকারখানার মজদুরের মর্যাদাপূর্ণ আয়ের অধিকার, বর্গাদার-পাট্টাদারের চাষের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তারা তাদের ৩৪ বছরে রাজত্বে কতটুকু জায়গা বিরোধীদের জন্য ছেড়ে রেখেছিল?

বামপন্থীরা কি ভাবে তাদের দীর্ঘ শাসনকালে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনৈতিক হত্যা সংঘঠিত করেছে তা আমাদের সকলেরই জানা আছে। বর্ধমানের সাঁই বাড়ি হত্যাকান্ড, মরিচঝাঁপিতে ও সুচপুর গণহত্যা, ছোট আঙারিয়া বা নন্দীগ্রাম, প্রাক্তন শাসক তার রাজনৈতিক প্রসারের জন্য নিরীহ মানুষের প্রাণ নিতে দ্বিধা বোধ করেনি। আর বর্তমান শাসক? যারা সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তাদের কেন আজ ভোটে জিততে হলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে খুন করতে হয়? যারা ক্ষমতায় আসার আগে স্লোগান দিয়েছিল ‘বদলা নয়, বদল চাই’ তারা কেন ক্ষমতায় থাকার জন্য রাজনৈতিক হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে? এই সরকারের আমলে যে সব রাজনৈতিক খুন আমাদের রাজ্যে সংঘঠিত হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বিরোধী দলের কর্মী আর তাদের প্রধান টার্গেট হয়েছে বিজেপি। গত কয়েক বছরে শুধুমাত্র আমাদের দলের শতাধিক কর্মীকে খুন হতে হয়েছে কারণ তারা প্রকাশ্যে বিজেপির হয়ে কাজ করে বলে। আর পুলিশের একটা অংশ নির্লজ্জভাবে সরকারের অঙ্গুলিহেলনে বেশিরভাগ রাজনৈতিক হত্যাকান্ডগুলোকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলেই নিহত লোকগুলোর পরিবার আজ অবধি কোনও ন্যায় বিচার পায়নি। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের যে আমরা এমন এক রাজ্যে বাস করিযেখানে রাজনৈতিক কর্মী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা পুলিশ কারও জীবনের কোনও সুরক্ষা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পুলিশমন্ত্রী হয়েও তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তথাকথিত উন্নয়নের ক্রেডিট যেমন তিনি নেন তেমনি এর দায়ও ওনাকেই নিতে হবে।

আরও পড়ুন:দেশে বাড়ছে জনসংখ্যা! প্রধানমন্ত্রীকে ১৮ পাতার চিঠি লিখে আত্মহত্যা কিশোরীর

হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুর ব্যাপারে আমরা প্রথম থেকেই সন্দিগ্ধ ছিলাম কারণ সরকারের নিয়ন্ত্রিত পুলিশের উপর আমাদের কোনও ভরসা ছিল না। তাই আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি করেছিলাম। আমরা আশাবাদি যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই তন্দন্তে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। কিছুদিন আগে চোপড়ায় আমাদের দলের বুথ কর্মীর বোনকে ধর্ষণ করে খুন করে ফেলে দেওয়া হল কিন্তু মেয়ের ও বোনের বিচার চাওয়ার অপরাধে সেই মেয়েটির বাবা ও ভাইকে পুলিশ জেলে ভরেছে। এছাড়া আরও বহু ঘটনা গত কয়েক বছরে ঘটেছে যেগুলো প্রমাণ করেছে পুলিশের একটা অংশ তৃণমূলের দলদাস হিসেবে কাজ করছে।

ক্ষমতা ধরে রাখাটাই শাসক দলের একমাত্র লক্ষ্য তাই তারা তাদের আশ্রয়ে থাকা সমাজবিরোধীদের প্রশয় দিচ্ছে। সংবিধানকে সাক্ষী রেখে একটা সরকার শুধুমাত্র ক্ষমতার লোভে রাজ্যব্যাপী দুর্বৃত্যায়নকে একটা প্রতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে যার মাধ্যমে সমাজবিরোধীরা গোটা রাজ্যটাকেই মুক্তাঞ্চলে পরিণত করেছে তাই নারীদের কোন নিরাপত্তা এই বাংলার মাটিতে নেই। গণতন্ত্রের প্রাথমিক ও প্রধান শর্ত হল জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা কিন্তু তৃণমূল, যারা ২০১৬ সালে আরও বেশি আসন নিয়ে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেছিল, তারা কি মানুষের সেই অধিকার নিশ্চিত করতে পেরেছে? এরা গদি দখলের মধ্যে দিয়ে একটা তূরীও ক্ষমতার অধিকারী হয়ে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিজের দলে পরিণত করে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে চলেছে। যারা এত উন্নয়ন করেছে বলে দাবি করে তারা কেন অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ভয় পায়? প্রকাশ্যে ভোট ডাকাতি করে, নমিনেশন না করতে দিয়ে বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত গঠন করতে হয়? কেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা ও বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বলতে হয় যদি গোটা রাজ্যকে বিরোধীমুক্ত করা যায় তাহলে উন্নয়নে কোনও বাধা থাকে না?

যেমনটা আমি আগে লিখেছি, এই রাজ্যে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। তা না হলে কেন এই সরকার সিপিএম বা কংগ্রেস আমলে যত রাজনৈতিক হত্যা বা গণহত্যা সংঘঠিত হয়েছিল এবং যারা প্রত্যক ভাবে তাতে অংশগ্রহণ করেছিল তাদের আজও বিচারের আওতায় আনতে পারেনি? যে তাপসী মালিকের লাশের উপর দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতির রুটি সেকেঁছিলেন আজ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি সব ভুলে গেছেন। যদি তাপসী মালিকের ধর্ষক খুনি সাজা না পায় তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গের বুকে কোন বিচারই বৈধতা পাবে? কামদুনি বা পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণের অভিযুক্তদের এই সরকার আজও বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযুক্তর সঙ্গে তৃণমূলের এক নতুন মহিলা সাংসদের সম্পর্ক আজ সর্বজনবিদিত। কিন্তু মমতাময়ী মুখ্যমন্ত্রী পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডে ভিকটিম সুজেট জর্ডনকে ন্যায় বিচার দেওয়ার পরিবর্তে সেই সাংসদকে পার্লামেন্টে যাওয়ার রাস্তা করে দিয়েছেন… এই কারণেই তিনি আজ বাংলার গর্ব।

আরও পড়ুন:সুশান্ত-এর মৃত্যু তদন্তে বদনাম করা হচ্ছে আদিত্য ঠাকরেকে, অভিযোগ শিবসেনার

এই সরকার এত নির্লজ্জ যে বিজেপির কর্মীদের আমফানের মতো একটা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ত্রাণ বিতরণে বাধা প্রদানের মধ্যে দিয়ে নোংরা রাজনীতি করে। এই রাজ্যে মানুষের বাক স্বাধীনতা, সংবাদ মাধ্যমের স্বতন্ত্রতা তৃণমূল সরকার শেষ করে দিয়েছে। প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে ভয় পায় পাছে ভুয়ো মামলা বা পুলিশকে দিয়ে সাজানো কেস দিয়ে জেলে পুরে দেওয়া হয়। তৃণমূল নেত্রীর স্বৈরাচারী রূপ আমরা দেখেছি যখন তিনি একটা ফেইসবুক পোস্ট ফরওয়ার্ড করার জন্য অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে, কৃষক শিলাদিত্য চৌধুরীকে প্রশ্ন করার অপরাধে জেলের ভাত খাইয়েছেন। ছাত্রী তানিয়া ভরদ্বাজকে, কামদুনি কাণ্ডে মৌসুমী ও টুম্পাকে প্রশ্ন করার অপরাধে মাওবাদী তকমা দিয়েছেন। গণতন্ত্রের ধামাধারী এই সরকার শুধুই মিথ্যে কথা বলে উন্নয়ন নামক একটা হুজুগ তুলে মানুষকে প্রতারিত করেছে কিন্তু আসলে যে এই রাজ্যে কোনও উন্নতি হয়নি সেটা আজ সবাই ধরে ফেলেছে। এটাই গণতন্ত্রের সব থেকে বড়ো অপমান।

আরও পড়ুন: রাজীব গান্ধীর জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ প্রধানমন্ত্রীর, স্মৃতিচারণ পুত্র রাহুল গান্ধীর

গত চার দশকে কিছু নেতা, নেত্রীর দম্ভের কারণে রাজ্য বনাম কেন্দ্রর সংঘাতের মাধ্যমে রাজ্যের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান সরকার কেন্দ্রের প্রায় সব প্রকল্পের বিরোধিতা করে রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করছে। এই ঔদ্ধত্যের অবসান আপনাদেরই ঘটাতে হবে তাহলেই রাজ্যে সঠিক এবং সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব। সমস্ত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোকে দেখুন, গত কুড়ি বছরে তারা কোথায় পৌঁছে গেছে আর আমাদের রাজ্যর মানুষকে আজও কাজের সন্ধানে ভিন্ রাজ্যে পাড়ি দিতে হয়। পশ্চিমবঙ্গ এখন গভীর সংকটে আর এর থেকে রাজ্যকে বের করে আনতে হলে সেই সব বাংলাপ্রেমী মানুষের কাছে আমাদের আবেদন যে আপনারা নির্ভীক ভাবে নিজের রাজনৈতিক মত প্রকাশ করুন তাহলেই এই স্বৈরাচারী সরকারের কাছে আসল বার্তাটি পৌঁছাবে। এবার রাজ্যে ”আসল পরিবর্তন” এবং সঠিক গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা দরকার যা কেবল বিজেপির সরকার গঠনের মাধ্যমেই আসতে পারে।

Related Articles

Back to top button
Close