fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাস্তা সারাইয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে জেলে যেতে হল বিজেপি কর্মীকে

মিল্টন পাল, মালদাঃ রাস্তা সারাইয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে জেলে যেতে হল এক বিজেপি কর্মীকে। বৃহস্পতিবার ওই কর্মী সঙ্গে দেখা করেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। মালদা জেলা সংশোধনাগারের সামনে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা না হলে পুলিশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বসবেন বলে হুমকি দেন। ঘটনাটি ঘটে ছিল মালদার চাঁচল থানার থানা পাড়া এলাকায়।

 

 

উল্লেখ্য ওই বিজেপি কর্মীর নাম প্রসেনজিৎ শর্মা। বাড়ি চাঁচলের থানা পাড়া এলাকায়। চাঁচোলের থানা পাড়া এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। কোথাও গর্ত আবার কোথায় হাঁটু পর্যন্ত জল জমে মানুষ চলাচলের অযোগ্য হয়ে ওঠেছিল। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে রাস্তায় জল জমে রয়েছে। সেই কারনে বিজেপি কর্মী এলাকাবাসীদের নিয়ে রাস্তার মধ্যে মাছ ছেড়ে পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু করে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তৃণমূল পরিচালিত চাঁচোল গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব মণ্ডল সহ বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থলে আসে। তৃণমূলের অভিযোগ সেই সময় বিপ্লব মণ্ডলকে বেধরক মারধর শুরু করে প্রসেনজিৎ শর্ম ও তাঁর দলবল। এই মর্মে থানায় প্রসেনজিৎ শর্মার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ অন্যায়ভাবে মঙ্গলবার বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ শর্মাকে গ্রেফতার করে। মিথ্যা মামলায় বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতারে প্রতিবাদে উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে থানা ঘেরাও করা হয়। চলে অবস্থান বিক্ষোভও। ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।

 

 

 

 

মঙ্গলবার থানা ঘেরাও এরপর বৃহস্পতিবার ওই বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে মালদার সংশোধনাগারে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ শর্মা জানিয়েছিলেন,  ঘটনার পর চাঁচোল গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বিপ্লব মণ্ডল ও তার দলবল তার বাড়িতে ঢুকে তাকে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনায় বিপ্লব মণ্ডল, অমিতেশ পান্ডে ও মোক্তার হোসেনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তারা খোলাম বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে।শাসক দলের ছত্রছায়ায় থাকার কারণে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উত্তর মালদা বিজেপি সাংসদ সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারে দিয়ে বলেন আগামী তিন দিনের মধ্যে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার না করা হলে শনিবার থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। পাশাপাশি চাঁচল ব্লককে অচল করে দেওয়া হবে। পুলিশকে বাইরে বেরোতে হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন। অবিলম্বে শাসক দলের তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।

 

 

জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি দুলাল সরকার বলেন, পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছে। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে আইন রয়েছে। পুলিশ পুলিশের কাজ করছে এতে আমাদের বলার কিছু নেই।

Related Articles

Back to top button
Close