fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

উদ্ধার মৎস্যজীবীর দেহ ফিরল বাড়িতে

বিশ্বজিত হালদার, কাকদ্বীপ:‌ জম্বুদ্বীপের কাছে ট্রলার উল্টে নিখোঁজ ৩ মৎস্যজীবীর মধ্যে একজনের দেহ উদ্ধারের পর শনাক্ত হল। মৃত প্রদীপ বিশ্বাস (‌৩২)‌ হারুড পয়েন্ট উপকূল থানার পূর্ব গঙ্গাধরপুরের বাসিন্দা। রবিবার বিকেলে মৌসুনির পূর্ব বালিয়াড়া এলাকা থেকে উদ্ধার হয় প্রদীপের দেহ। সোমবার বিকেলে দেহ আসে কাকদ্বীপে। প্রদীপের পোষাক দেখে শনাক্ত করেন পরিবারের লোকজন। দেহ শনাক্তকরণের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রদীপের মা ও স্ত্রী। এদিন দেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এখনও নিখোঁজ ২ মৎস্যজীবী কৃষ্ণ দাস ও শিবু বিশ্বাস।

গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে শনিবার বিকেলে বকখালির জম্বুদ্বীপের কাছে এফবি প্রসেনজিৎ নামে একটি মৎস্যজীবীর ট্রলার উল্টে যায়। ট্রলারে ছিলেন ১৫ জন মৎস্যজীবী। তাঁদের মধ্যে ১২ জন মৎস্যজীবী ছিলেন ট্রলারের ডেকে। বাকি ৩ জন ছিলেন কেবিনে। ট্রলার উল্টে গেলে ডেকে বসে থাকা ১২ জন মৎস্যজীবী সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। দুর্ঘটনার পর এফবি মহাদেব নামে একটি মৎস্যজীবী ট্রলার ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ১২ জন মৎসজীবীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

[আরও পড়ুন- রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত গাফিলতি, আমফানে তছনছ পানিহাটি শ্মশান ঘাট চেনা ছন্দে ফিরল না]

বাকি ৩ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ ছিলেন। রবিবার সকাল থেকে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। সন্ধে নাগাদ একটি মৃতদেহ পাওয়া যায় প্রদীপের দেহ। প্রদীপ ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। গত দু’‌দিন ধরে আশঙ্কার প্রহর গুনছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এদিন দেহ শনাক্তকরণের পর কার্যত সব আশা শেষ হয়ে যায়।

দিন সাতেক আগে নামখানা ঘাট থেকে ইলিশ ধরতে বেরিয়েছিল ট্রলারটি। সমুদ্রে মাছ ধরার পর ফিরছিল ঘাটে। ফেরার পথে খারাপ আবহাওয়ার সতর্কবার্তা পায়। তখন উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে চড়ায় ধাক্কা মেরে উল্টে যায় ট্রলারটি।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close