fbpx
কলকাতাহেডলাইন

লোকসান করে গ্রিনজোনে বাস নামাতে নারাজ বাসমালিকরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, সোমবার থেকে বেসরকারি বাস ‘গ্রিন জোনে’ কুড়িজন যাত্রী নিয়ে চলাচল করবে। কিন্তু বাস মালিকরা বেঁকে বসার বাসের চাকা গড়ায়নি। বাস মালিকদের স্পষ্ট বক্তব্য, লোকসান করে বাস চালানো সম্ভব নয়।

জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটের সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘করোনা যখন হয়নি তখন বাসে সিটিং ৫০ জন যাত্রী ছাড়াও স্ট্যান্ডিং প্যাসেঞ্জার থাকতেন এটা সত্যি। তখনই আমরা বাসের ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলাম। আর এখন ৫০ জন সিটিং প্যাসেঞ্জারের গাড়িতে ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালানো অসম্ভব। এখন ইস্কুল, কলেজ বন্ধ , তাছাড়া জেলায় যে বাসগুলো চলাচল করে সেগুলো মূলত রেলস্টেশন সংলগ্ন জায়গা থেকে ছাড়ে। ট্রেন থেকে নেমে যাত্রীরা জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছাতে বাসে চাপেন। কিন্তু ট্রেন চলাচলতো এখন বন্ধ। যাত্রী হবে কোথা থেকে? তাছাড়া বাসে যে যাত্রীরা উঠছেন তাঁদের মধ্যে যে কেউ করোনা আক্রান্ত নেই বোঝা যাবে কেমন করে? আমাদের ড্রাইভার, কণ্ডাক্টররা করোনা আক্রান্ত হলে দায়িত্ব কে নেবে?’

আরও পড়ুন: ঘরে ফেরার কাতর আর্জি, লকডাউনে আটকে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে কাশ্মীরি শালওয়ালাদের

সারা বাংলা বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘দেখুন সত্যি বলতে কি ভাড়া না বাড়ালে আমাদের পক্ষে বাস চালানো অসম্ভব। মাত্র ২০ জন যাত্রী নিয়ে আমাদের খরচ উঠবে না। আর এই সংখ্যক যাত্রী নিয়ে পরিষেবা দিতে গেলে অন্ততপক্ষে ভাড়া হওয়া উচিত ২০ টাকা। কিন্তু আমরা জানি লকডাউনের এই পরিস্থিতিতে এই ভাড়া দেওয়া জনসাধারণের উপর চাপ হয়ে যাবে। তাই আমাদের প্রস্তাব সরকার যেমন ভোটের সময় বাস নেয়, তেমন রিকুইজিশন করে বাস চালাক। রুট ঠিক করে কখন কতক্ষণ পরপর বাস চলবে ঠিক করে দিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘ আমরা স্বাস্থ্য কর্মীদের পৌঁছে দেওয়ার জন্য এনআরএস, বাঁকুড়া, চন্দননগরসহ রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে বাস পরিষেবা দিচ্ছি। কিন্তু বাসকর্মীদের হ্যান্ড স্যানেটাইজার, মাস্ক দেওয়া হচ্ছে না, বাসগুলোও স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না।’

Related Articles

Back to top button
Close