fbpx
কলকাতাদেশহেডলাইন

মিশনারিজ অব চ্যারিটি’র কোনও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেনি কেন্দ্র!

যুগশঙ্খ,ওয়েবডেস্কঃ মিশনারিজ অব চ্যারিটি’র অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা নিয়ে তৈরি হয়েছে চাপান-উতোর। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই কর্মকাণ্ডের জন্য নিন্দা করা হয়েছে। সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে কেন্দ্রের তরফ এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, মিশনারিজ অব চ্যারিটি-র অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেনি কেন্দ্র। সংস্থার তরফ থেকেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি কেন্দ্রের দাবি কিছু শর্ত পূরণ না হওয়ায় সংস্থার রেজিস্ট্রেশন পুনর্নবীকরণ করা হয়নি। যাতে কোনওরকম গলদ না থাকে, সেজন্য বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মিশনারিজ অফ চ্যারিটির সমস্ত কেন্দ্রের যাবতীয় বিদেশি মুদ্রার লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, FCRA-র অধীনে মিশনারিজ অফ চ্যারিটির রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ ছিল গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। FCRA-তে নথিভুক্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো তাদের মেয়াদও ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তা রিনিউ করার আবেদন এখনও আসেনি।

এর পরেই এক বিবৃতি দিয়ে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি জানায়, “মিশনারিজ অফ চ্যারিটির এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশন সাসপেন্ড হয়নি। বাতিলও হয়নি এমওসি-র বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনে রেজিস্ট্রেশন। জানানো হয়েছে, এফসিআরএ পুনর্নবীকরণের আবেদন অনুমোদন পায়নি। সমস্যা এড়াতে আমাদের কেন্দ্রগুলিকে লেনদেন বন্ধ রাখতে বলেছি। বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এফসি অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, মিশনারিজ অফ চ্যারিটি সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, মাদার টেরিজার সংস্থা মিশনারিজ অব চ্যারিটির সবকটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ক্রিসমাসে এমন খবর জেনে আমি স্তম্ভিত। সংস্থার অধীনে চিকিৎসাধীন ২২ হাজার রোগী ও কর্মীর জন্য নেই কোনও খাবার বা ওষুধ। আইন সর্বোপরি হলেও মানবিকতার সঙ্গে কোনও সমঝোতা করা উচিৎ নয়।

Related Articles

Back to top button
Close