fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

ভ্যাকসিন দ্রুত মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে চায় কেন্দ্র, জোরদার পরিকল্পনায় মোদি সরকার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাকে চিরতরে বিদায় করতে প্রধান অস্ত্র ভ্যাকসিন। গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে সেইদিকেই। জোরকদমে চলছে ভ্যাকসিন বাজারে আনার প্রস্তুতি। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতাপ ষড়ঙ্গী ঘোষণা করেছেন বাজারে ভারতীয় নাগরিকরা বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাবে। তাই ভ্যাকসিন কিনতে কয়েক শো কোটি টাকা মজুত রেখেছে কেন্দ্র।

কেন্দ্র আগেই ঘোষনা করেছিল যাদের আগে দরকার সেই হিসেবে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে প্রথম ধাপে অন্তত তিনকোটি মানুষকে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এই তিনকোটি মানুষের মধ্যে রয়েছেন ৭০-৮০ লক্ষ ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী এবং পুলিশ প্রশাসনে কর্মরত ব্যক্তিরা। আর এই বিপুল সংখ্যক ভ্যাকসিন কীভাবে সাধারণ মানুষের কাছে আসবে সেই নিয়ে কেন্দ্রের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষবর্ধন।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতের মতো জনবহুল দেশে করোনার টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে আইডি কার্ডের মতোন একটি ডিজিটাল হেলথ কার্ড বা ‘Universal Immunisation Program’ বা (UIP) নেটওয়ার্ক ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার সাহায্যে জানা যাবে কতজন মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। সেই সমস্ত ডাটা যাবতীয় ডাটা সেখানে সংরক্ষিত থাকবে। যার ফলে ১৩০ কোটির মানুষের কাছে দ্রুত ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই হেলথ কার্ডের কথা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রয়োগের জন্য একটি রোল আউট পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে করোনার টিকা বিতরণের ক্ষেত্রে সরকারের এই রোল আউট পরিকল্পনায় রয়েছেন ভারতের এইডস গবেষণা ইনস্টিটিউট, এইমসের পরিচালক ডঃ রণদীপ গুলেরিয়া, বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রক, বায়োটেকনোলজি, তথ্য প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা-মহাপরিচালক, ইন্ডিয়ান মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘হু’ এর সুপারিশের ভিত্তিতে এই ভ্যাকসিনের প্রাথমিক প্রবেশাধিকারের জনগণের অগ্রাধিকার বিভাগগুলির বিষয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। গবেষণার পর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সর্বাধিক এক্সপোজার এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ চাকরিতে নিযুক্ত এমন ৩ কোটি মানুষকে টিকা প্রদানের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশ বাহিনী, হোম গার্ডস, সশস্ত্র বাহিনী, পুর কর্মী এবং আশা কর্মী, ক্লিনার, শিক্ষক এবং গাড়ি চালক, ১ কোটি চিকিৎসক এবং ২ কোটি স্বাস্থ্যসেবা কর্মী।

ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের তালিকা অক্টোবরের শেষের দিকে বা নভেম্বরের শুরুতে শেষ করা হবে। এছাড়াও ৫০ বছরের বেশি বয়সী এবং ৫০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের অসুস্থতা বিবেচনা করে প্রথমবারের তালিকায় থাকবে।

Related Articles

Back to top button
Close