fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আমাফানের দাপটে বিধ্বস্ত বাংলা। লন্ডভন্ড বিদ্যুৎ পরিষেবা। বিদ্যুৎ পরিষেবাকে স্বাভাবিক করতে গিয়ে কার্যত রাতের ঘুম ছুটেছে রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন পর্ষদ ও সিইএসসির কর্মীদের। কার্যত বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই কাজ করতে হচ্ছে তাঁদের। সেই রকম ভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে মঙ্গলবার কর্মরত অবস্থায় হাওড়া শহরের বালিতে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান সিইএসসির এক কর্মী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেন। সিইএসসি এ ঘটনার জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছি, মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা সাহায্য করবে সরকার। মৃত কর্মীর পরিবারকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যেভাবে প্রত্যেকটি কর্মী কাজ করেছে তাদেরকে স্যালুট জানাচ্ছি।

সিইএসসি নিয়ে রাজনীতি শুরু করলো। কিন্তু এই সংস্থার সিপিএমের আমলে দিল্লির কংগ্রেস সরকার তৈরি করে দিয়েছিল। আমরা মানবিক বলে বহু সংবাদমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিইনি। জল না সরলে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো যাচ্ছে না। সিইএসসি চাইতে বিদ্যুত্‍ বন্টন সংস্থা অনেক ভাল কাজ করেছে। সকলকে কোয়ারেন্টাইন করা যাবে না, কারণ কয়েক লক্ষ মানুষ এসেছেন। সুন্দরবনের সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে। আগে বাঁধ নির্মাণ করতে হবে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে। ৯০ শতাংশ জায়গায় বিদ্যুত্‍ ফিরিয়ে আনা হয়েছ। স্বরাষ্ট্রসচিব উত্তর ২৪পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪পরগনা সেচ দফতরের সচিব যাবেন এবং সেখান থেকে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করবেন। জেলায় জেলা শাসক এবং ব্লকে বিডিও নেতৃত্বে টাস্কফোর্স তৈরি করুন।

আরও পড়ুন: শহরের পথে বাড়তি বাস নামলেও ভোগান্তি কমেনি, অভিযোগ যাত্রীদের

না জানিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বললাম, তারা বলল রাত দুটোর সময় তারা জেনেছে। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাত সহ ৫টি রাজ্য থেকে পরিযায়ীরা এলে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। মুম্বাই থেকে হঠাত্‍ ৩৬টা ট্রেন ছাড়া হচ্ছে বলে জানলাম। রাজ্য থেকে এলে স্কুলে স্কুলে কোয়ারেন্টাইন। গাদাগাদি করে এখানে শ্রমিকরা আসছেন, ফলে করোনা সমস্যা বাড়ছে। কেন্দ্র আমাদের সঙ্গে কথা বলে পরিকল্পনা করতে পারতো, কিন্তু তা করেনি।

 

Related Articles

Back to top button
Close