fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কর্মীদের জন্য যানবাহন ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করুক রাজ্য সরকার, দাবি কো-অর্ডিনেশন কমিটির

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী ৮ জুন থেকে খুলে যাবে রাজ্যের সমস্ত অফিস। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু হবে বলে ঘোষনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালো বাম প্রভাবিত কর্মচারী সংগঠন রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি।
রাজ্য সরকারের কর্মীদের জন্য যানবাহন ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করুক সরকার এই দাবি তুুুলে শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিজয় শঙ্কর সিংহ জানান, ‘শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী ৮ জুন থেকে কাজ শুরু হবে বলে ঘোষণা করলেও কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য পরিবহনের সুব্যবস্থার বিষয়ে কোন কথা উল্লেখ করেননি। ভারতীয় রেল আগেই জানিয়েছে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সমস্ত লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ থাকবে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সড়ক পরিবহণ স্বাভাবিক নয়। এই পরিস্থিতিতে সড়ক ও রেল পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কর্মচারীরা কিভাবে অফিসে উপস্থিত হবেন? তাই সরকারি দপ্তরগুলিতে কর্মচারীদের উপস্থিতির জন্য যানবাহন ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সহ নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন: করোনা-আক্রান্ত কর্মী সত্ত্বেও পাঠানো হচ্ছে না কোয়ারেন্টাইনে, বিক্ষোভ-ভাঙচুর কলকাতা পুলিশের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নে

করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের অন্যতম বিধি শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু পরিবহন পরিষেবার ক্ষেত্রে সেই বিধি কার্যকর করা কঠিন। তাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সব সিট পিছু প্যাসেঞ্জার নিয়ে বাস চালানোর নির্দেশ কার্যকরী হলে শুধু শারীরিক নয়, সামাজিক ও শারীরিক উভয়বিধ দূরত্ব বিধি লঙ্ঘিত হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকায় পরিস্থিতি এমনিতেই ক্রমশ জটিল হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শারীরিক দুরত্ব বিধি মেনে এই অপ্রতুল পরিবহন ব্যবস্থায় কর্মচারীরা হাজিরা দেবেন কিভাবে এই বিষয়ের কোন পরিকল্পনা ছাড়া এই সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক অব্যবস্থারই প্রতিফলন। যার শিকার হতে চলেছেন কর্মচারীরা।’

Related Articles

Back to top button
Close