fbpx
দেশহেডলাইন

টুইন টাওয়ার ধবংসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, দাবি নির্মাণকারী সংস্থার

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: সুপরিকল্পিতভাবে মাত্র মাত্র ৯ সেকেন্ডেই রবিবার দুপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে  নয়ডার গগনচুম্বী টুইট টাওয়ার। যেখানে একদিন সুউচ্চ এই ভবন দাঁড়িয়েছিল, আজ সেখানে ফাঁকা মাঠ। ওই ভবন ধ্বংসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এমনটাই দাবি করেছেন নির্মাণকারী সংস্থা ‘সুপারটেকের’ চেয়ারম্যান আরকে অরোরা।

অরোরার বক্তব্য অনুযায়ী,  জমি, নির্মাণ, একাধিক অনুমোদন, ব্যাঙ্কে সুদের হার, সেই সঙ্গে জোড়া টাওয়ারের ক্রেতাদের ১২ শতাংশ সুদের হারে টাকা ফেরত ও অন্যান্য খরচ- সব মিলিয়ে আমাদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং নামে যে সংস্থা টুইন টাওয়ার ভাঙার দায়িত্ব নিয়েছিল, তাদের ১৭.৫ কোটি টাকা দিয়েছে সুপারটেক। কুতুব মিনারের থেকেও উঁচু নয়ডার ওই অট্টালিকা বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে মামলা গড়ায় আদালতে। শেষ পর্যন্ত বিশাল ভবনটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

রবিবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই ভেঙে ফেলা হয় এই আকাশচুম্বী অট্টালিকা।

অরোরা দাবি করেছেন, নয়ডা উন্নয়ন পরিষদের ছাড়পত্র নিয়েই আমরা ওই দু’টি টাওয়ার তৈরি করেছিলাম। অট্টালিকা বানানোর জন্য যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাতে কোনো রকম বদল করা হয়নি। শুধু তাই-ই নয়, নয়ডা কর্তৃপক্ষকে পুরো টাকা দেওয়ার পরই এই অট্টালিকা বানানো হয়েছিল।

নয়ডা এক্সপ্রেসওয়ের কাছে সেক্টর ৯৩এ এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছিল এই টুইট টাওয়ার। দু’টি টাওয়ার মিলিয়ে ৯০০টিরও বেশি ফ্ল্যাট ছিল।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close