fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্বামী খুনের ঘটনার স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির চার সদস্যকে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা আদালতের

মিলন পণ্ডা, হলদিয়া (পূর্ব মেদিনীপুর): দীর্ঘ সাত বছর পর স্বামী খুনের ঘটনার স্ত্রী সহ শ্বশুরবাড়ির চার সদস্যকে দোষী সাবস্ত করে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া মহাকুমা আদালত। পাশাপাশি আরও চারজনের সাজা ঘোষণা করে।

 

সোমবার হলদিয়া মহকুমা আদালতের ফাস্টট্রাক কোর্টের বিচারক অনিল কুমার প্রসাদ পাঁচজনের সাজা ঘোষণা করেন। এই মামলার সরকারী আইনজীবি ছিলেন সোমনাথ ভূঞ্যা। এদিন বিচারক স্ত্রী সুজাতা সাঁতরা ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০২ নং ধারায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড ২০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের কারাদন্ডের নির্দেশ দেন৷ ২০১ নং ধারাতে ৩ বছরের কারাদন্ড ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত দু বছরের কারাদন্ডের নির্দেশ দেন। বাকী চারজন ভারতীয় দন্ডবিধির ২০১ নং ধারায় সুজাতার দাদু ভোলানাথ সাঁতরা ,বাবা বিরেশ্বর সাঁতরা মা স্বরস্বতী সাঁতরা ও ভাই বিজয় সাঁতরাকে ৩ বছরের কারাদন্ড, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত ১ বছর কারদন্ডের নির্দেশ দেন।

      আরও পড়ুন: রাত কাটিয়ে সকালেও সংসদের বাইরেই অবস্থানে বরখাস্ত আট সাংসদ

জানা গিয়েছে, ২০১২ সালের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুর থানার আবাসবাড়ি গ্রামের গুরুপদ প্রধান ভালোবাসা করে দুই পরিবারের সদস্যদের অমতে নন্দীগ্রাম থানার আমদাবাদ গ্রামের সুজাতা সাঁতরা মন্দিরে বিয়ে করেন। কিন্তু গুরুপদ পরিবারের সদস্যরা এই বিয়ে মেনে নিলেও কিন্তু সুজাতা পরিবারের সদস্যরা এই বিয়ে মেনে পারেনি।এই মামলার সরকারী আইনজীবি সোমনাথ ভূঞ্যা বলেন গুরুপদ উড়িষ্যার কাজ করতো। গত বিয়ের ১৩ মাসের মাথায় স্থানীয় নন্দীগ্রামের বরাচিরা হাইস্কুলের পেছনের মাঠ থেকে গুরুপদর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর ছেলের পরিবারের লোকেরা নন্দীগ্রাম থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন।এই মামলার ১৪ জন স্বাক্ষী গ্রহন করে হলদিয়া আদালতে বিচারক। ঘটনার পর তদন্তে নামে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।মৃতদেহ ময়না তদন্তের রির্পোটের বিষ ক্রিয়ার অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে বিষ খাইয়ের খুন করে প্রমান লোপাটের জন্য পাশের মাঠে ফেলে দিয়ে আসে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ি সদস্যরা। সেই মতন নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ একটি চার্চসিট জমা দেন।

Related Articles

Back to top button
Close