fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত আফগানিস্তান, মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পে আফগানিস্তানে প্রাণ হারাল অন্তত এক হাজার মানুষ। গভীর রাতে দুর্গম সীমান্ত জোড়াল কম্পনে কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পে আহত হয়েছে বেশ কয়েক শ। উদ্ধার কাজ চলছে। হতা-হতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে প্রশাসন। উদ্ধারকারীরা ধসে পড়া বহু স্থাপনার নিচ থেকে হতাহতদের বের করে আনতে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছিলেন।

ইউএসজিসি দেওয়া তথ্যানুসারে, ২০০২ সালের পর এবারই এত মারাত্মক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে আফগানিস্তানে। খোস্ত শহর থেকে ৪৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পাকিস্তানের সীমান্তের কাছে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) বলছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬.১।   তবে ইউএসজিসির তথ্যানুসারে, এটি ছিল ৫.৯ মাত্রার।

এক ট্যুইট বার্তায় ইএমএসসি বলেছে, কম্পন পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারতের ১১ কোটি ৯০ লক্ষ  মানুষ অনুভব করেছে। সংস্থাটির ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাকিস্তানের লাহোরেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে পাকিস্তান থেকে কোনও হতাহতের খবর আসেনি।

পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পাকতিকা প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রধান মোহাম্মদ আমিন হুজাইফা বলেন, ‘মানুষ কবরের পর কবর খুঁড়ে যাচ্ছে। …বৃষ্টি হচ্ছে, সব বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক লোক এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছে। ’

স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে ভূমিকম্প হওয়ায় হতাহতের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে।

আফগান তালিবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা ভূমিকম্পের পরপরই হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে সতর্ক করেন।

পাকতিকার এক উপজাতীয় নেতা জানান, বেঁচে যাওয়া লোকজন এবং উদ্ধারকর্মীরা একত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে কাজ করছেন। ইয়াকুব মানজুর নামের ওই ব্যক্তি বলেন, ‘স্থানীয় বাজার বন্ধ রয়েছে এবং সব মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গেছেন। ’ সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দারা সামরিক হেলিকপ্টারে আহতদের তুলে দিচ্ছেন।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ স্বাস্থ্যকর্মীদের অন্তত ১২টি দলকে ক্ষতিগ্রস্ত গায়ান অঞ্চলে পাঠিয়েছে।

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close