fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কয়েক দশকে ও পূরণ হয়নি পাকা সেতুর দাবি, এলাকাবাসীর মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ

সুকুমার রঞ্জন সরকার, কুমারগ্রাম: কয়েক দশক ধরে একটি পাকা সেতু নির্মানের দাবি জানিয়ে আসছে কুমারগ্রামবাসী, আজও তাদের সেই দাবি অধরাই থেকে গেছে। স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ বেড়ে চলেছে এলাকাবাসীর মনে। কুমারগ্রাম ব্লকের দক্ষিন কামাক্ষ্যাগুড়ির নয়ারহাট এলাকায় মরা রায়ডাক নদীর ওপর পাকা সেতু নির্মান না হওয়ায় এলাকাবাসীর যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের তৈরি একটি নড়বড়ে সাঁকো। স্থানীয় বাসিন্দা নিরো অধিকারি, পরেশ রায়, বাবলু দেবনাথ সহ অনেকেই জানান ভোট এলেই ভোট প্রার্থীরা আসেন, সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দেন, ভোট মিটে গেলে আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না। প্রানের ঝুঁকি নিয়েই নড়বড়ে সাঁকোর উপর দিয়েই তাদের যাতায়াত করতে হয়। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ তাদের নিত্য প্রয়োজনে এই সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করেন। হাটে বাজারে কৃষি পন্য নিয়ে যেতে হলে, হাট বাজার থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র আনতে হলে অথবা রোগি নিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যেতে হলে গ্রামবাসিদের কয়েক মাইল ঘুরে যেতে হয়।

আরও পড়ুন: রাজ্যের শিশু সুরক্ষা নিয়ে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

কারন ঐ সাঁকোর উপর দিয়ে কোনো ছোট গাড়ী,এমনকি সাইকেল রিক্সা, ভ্যান বা ভুটভুটি ও গ্রামে ঢোকেনা। গ্রাম বাসীদের দাবী অবিলম্বে পাকা সেতু নির্মানের ব্যবস্থা করুক প্রশাসন। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শিবু রায় বলেন সেতু নির্মানের জন্য পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে। কামাক্ষ্যাগুড়ি দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এর উপ প্রধান সঞ্জয় পাল জানান গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এত বড় সেতু নির্মান করা সম্ভব নয়। কারন গ্রাম পঞ্চায়েতের আর্থিক ক্ষমতা সীমিত। একারনে সেতু নির্মানের বিষয়টি আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের নজরে আনা হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সভাধিপতি শীলা দাস সরকার জানান সেতু নির্মানের জন্য পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। আর্থিক বরাদ্দ পাওয়া গেলেই সেতু নির্মানের কাজ শুরু হবে।

Related Articles

Back to top button
Close