fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ভূমধ্যসাগরের দখল ঘিরে তুরস্ক ও ইউরোপের বিরোধ চরমে

আংকারা (সংবাদ সংস্থা): ‘ভূমধ্যসাগরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামরিক অভিযান এবং এর প্রতি লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা খলিফা হাফতারের সমর্থন লিবিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা।’ বলে জানিয়েছেন তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী মেভলুত চাভুস ওগলু।
স্পেনের বিদেশ মন্ত্রী অরানচা গুঞ্জালেসের সঙ্গে এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ‘এর ফলে লিবিয়ায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক উপায়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে।’

অন্যদিকে, পূর্ব ভূমধ্যসাগরে সাইপ্রাস দ্বীপ থেকে লিবিয়া পর্যন্ত বিশাল অঞ্চল জুড়ে তুরস্কের তৎপরতার ফলে খুবই অসন্তুষ্ট এবং উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে গ্রিস ও সাইপ্রাস দ্বীপ কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশও তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলি গত দুই বছর ধরে তুরস্কের কর্মকাণ্ডকে ‘উস্কানিমূলক’ বলে অভিহিত করেছে।
এপ্রসঙ্গে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন বলেছেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি তুরস্কের এসব পদক্ষেপের ব্যাপারে উপযুক্ত জবাব না দেয় তাহলে তারা অনেক বড় ভুল করবে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের তৎপরতা ইউরোপের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এবং প্যারিস আংকারাকে এ সুযোগ কখনই দেবে না।’

আরও পড়ুন:পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম হলেন এস.পি. সিং

অন্যদিকে, জার্মানির বিদেশ মন্ত্রীও তুরস্ককে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, ‘আংকারা যেন এ অঞ্চলে উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।’ তবে, ইউরোপের এসব হুমকির জবাবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগান বলেছেন, ‘পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্কের অনুসন্ধানী জাহাজের তৎপরতার ব্যাপারে কারো অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন আমাদের নেই। আমরা আন্তর্জাতিক আইন মেনে এবং আমাদের নিজস্ব সমুদ্র এলাকার মধ্যে থেকেই তেল, গ্যাস অনুসন্ধান কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ধারণা করা হচ্ছে, লিবিয়ায় অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের বিষয়টি তদারকির অজুহাতে ইউরোপ ভূমধ্যসাগর এলাকায় সামরিক অভিযানের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে তুরস্ক ইউরোপের সমালোচনা করেছে।
এ অবস্থায় তুরস্কের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে উত্তেজনা নয় বরং তুরস্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আরও বেশি পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close