fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ত্রাণ না পাওয়া পরিবারদের ত্রিপল বিলি করলেন জেলা আইনি সহায়করা

বাপ্পা রায়,ময়নাগুড়ি: জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এবং ময়নাগুড়ি ব্লক প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রশাসনের সহযোগিতায় ব্লক আইনি সহায়করা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রিপল বিলি করলেন শনিবার। এদিন আইনি সহায়করা ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের চারেরবাড়ি, ধওলাগুড়ি, খাগড়াবাড়ি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারিকামারী, কালীরহাট চূড়াভান্ডার এলাকায় ত্রিপল বিলি করেন।

গত সোমবারের ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে পড়েছে ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়ি, খাগড়াবাড়ি ২ নং, চূড়াভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। ময়নাগুড়ি ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পঞ্চায়েতে ত্রিপল বিলি করলেও অনেকেই সেই সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ময়নাগুড়ি ব্লক আইনি সহায়কদের কাছে অনেকেই সাহায্যের জন্য আর্জি জানায়। এই অবস্থায় ব্লক আইনি সহায়করা ময়নাগুড়ির বিডিওকে জানায়। এরপর ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়কদের কিছু ত্রিপল দেন। এগুলি শনিবার ময়নাগুড়ি ব্লক আইনি সহায়ক অমিত রায়, অমৃত কুমার রায় এবং পরিমল সেন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই ত্রিপল বিলি করেন।

আরও পড়ুন: মানুষকে গিনিপিগ বানাবেন না,আগে খুলুন বিধানসভা: সুজন

ধওলাগুড়ি ১ নং বুথের সুভাষ রায় বলেন, ” সোমবারের রাতের ঝড়ে আমার থাকার ঘরে গাছ পড়ে পুরো ভেঙে যায়। এরপর স্থানীয় পঞ্চায়েতকেও বিষয়টি জানিয়েছি কিন্তু কোনো সহযোগিতা পাইনি। শনিবার জেলা আইনি সহায়করা এসে আমাকে ত্রিপল দিলেন এতে আমার ভীষণ উপকার হবে।” চারেরবাড়ির বাসিন্দা নারায়ণ শিকদার বলেন, ” ঝড়ে আমার দুটো ঘর ভেঙে গিয়েছে। কোনো রকমে এক ঘরে দিন কাটাতে হচ্ছিল। সরকারি সহযোগিতা পাইনি। জেলা আইনি সহায়করা যে সহযোগিতা করলেন এতে আমি উপকৃত হলাম।”

ময়নাগুড়ি ব্লক আইনি সহায়ক অমিত রায় বলেন, ” গত সোমবার রাতের ঝড়ে ময়নাগুড়ির কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ময়নাগুড়ি ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণের ব্যবস্থা করলেও অনেকেই এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তারা আমাদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। আমরা বিষয়টি ময়নাগুড়ির বিডিও সাহেবকে জানাই এবং কিছু ত্রিপল আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এগুলি আমরা শনিবার আমগুড়ি, চূড়াভান্ডার, খাগড়াবাড়ি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিলি করেছি। যারা একে বারেই সহযোগিতা পায় নি এরকম প্রায় ৫০ টি পরিবারের হাতে এই ত্রিপল বিলি করেছি।”

Related Articles

Back to top button
Close