fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাবার মৃত্যু, মৃতদেহ সৎকার না হওয়ায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

শুভেন্দু বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল:‌ করোনা আক্রান্ত এক যুবকের বাবার মৃত্যুতে সোমবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল আসানসোল পুরনিগমের ৫১ নং ওয়ার্ডের ধ্রুবডাঙ্গা এলাকায়। রবিবার রাতে বছর ৬৫ এর ওই বৃদ্ধর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তারপর সেই দেহ সারারাত ধরে বাড়িতেই পড়ে থাকায় আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে মৃতদেহ উদ্ধার না হওয়ায় বৃদ্ধর প্রতিবেশীরা সোমবার সকালে প্রথমে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশ, প্রশাসন, স্বাস্থ্য দফতর ও আসানসোল পুরনিগমের তেমন কোন ভূমিকা দেখতে না পেয়ে এদিন সকালে এলাকার বাসিন্দা নিজেরাই গাছের ডাল ফেলে রাস্তা বন্ধ করে দেন। যদিও পরে জানা যায়, এদিন সকালে প্রশাসনের তরফে বৃদ্ধকে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালের এমারজেন্সি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধ্রুবডাঙার বাসিন্দা মৃত বৃদ্ধর ছেলে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে দুর্গাপুরের কোভিড-১৯ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা  প্রশাসনের নির্দেশ মতো সেই পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন হোম কোয়ারেন্টাইনে। কিন্তু রবিবার গভীর রাতে আক্রান্তের বৃদ্ধ বাবা আচমকাই  মারা যান। অভিযোগ এরপরই  সামাজিক দূরত্বের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে ফেলেন পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, তারা কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে পরিবারের সদস্যরা বেরিয়ে পড়েন রাস্তায়।

[আরও পড়ুন- স্বাস্থ্যকর্মীদের গাফিলতি, বিডিও, ওসির তৎপরতায় করোনা আক্রান্ত রোগী গেলেন হাসপাতালে]

আরও জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ধ্রুবডাঙার বাসিন্দা বৃদ্ধর ছেলের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃহস্পতিবার তাকে ভর্তি করা হয় দুর্গাপুরের কোভিড হাসপাতালে। কিন্তু বাড়ির লোকেদের কোনও পরীক্ষা করা হয়নি। তাঁদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়। তারই মধ্যে রবিবার রাতে যুবকের বৃদ্ধ বাবার মৃত্যু হয়। আশিষ দাশ নামে বছর ৬৫-র বৃদ্ধের মৃত্যুর পরেই নড়েচড়ে বসে এলাকাবাসী।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেবাশিষ ওরফে বাবন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আতঙ্কতি হওয়ার কিছু নেই। এলাকাটি বাঁশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। এলাকায় পুরনিগমের পক্ষ থেকে স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close