fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফানের ধাক্কায় উড়লো ফেন্সিং, বাঘের হানার ভয়ে কাঁটা সুন্দরবন

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: আমফানের ধাক্কায় ভেঙেছে ঘরবাড়ি, ভেঙে গিয়েছে বাঁধ, উপড়ে গিয়েছে গাছ, তছনছ হয়ে গিয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে সজনেখালিরেঞ্জ থেকে সরিয়ে দিতে হয় ট্রাঙ্কুলাইজার টিম। উড়ে গিয়েছে ব্যাঘ্র প্রকল্পের বিস্তীর্ণ এলাকার ফেন্সিং। ফলে ঘরবাড়ি হারানোর পাশাপাশি বাঘের আতঙ্কে কাঁটা সুন্দরবনের জঙ্গল লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দারা। আম্ফানের তাণ্ডবের সম্পর্কে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ চারিদিকে বিপর্যস্ত অবস্থা। কোনও জায়গার সঙ্গে একটানা যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। যতটুকু খবর এসেছে তাতে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে।’

প্রসঙ্গত সম্প্রতি সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। সেই কারণেই যতটা সম্ভব বাড়তি বেড়া ও জাল লাগানো হয়েছিল। জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলোর কাছে রাখা হয়েছিল বাড়তি ট্রাঙ্কুলাইজার টিম। বিশেষ করে পাখিরালয়ের কাছে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সেসব ভেঙে তছনছ হয়ে গিয়েছে। ঝড়ের তান্ডবে ভেঙে গিয়েছে পাখিরালয় জেটি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নামখানা টাওয়ার।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে সহমর্মিতা হাসিনার

বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘ লোডশেডিংয়ের ফলে রেডিও ট্রান্সমিটারের সাহায্য নিলেও খুব একটা কাজে আসছে না। বনকর্মীদের বলেছি সতর্ক থাকুন। তবে নিজের জীবন বাঁচিয়ে কাজ করুন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সব খতিয়ে দেখা হবে।’
বনদফতর আশ্বাস দিলেও সুন্দরবনবাসীর বাঘের আতঙ্কে ঘুম উড়েছে। যদিও জলে কুমীর, ডাঙায় বাঘ নিয়েই বারোমাস ঘর করেন তাঁরা।তবু বলা যায় না, ‘যদি ঘাড়ে এসে পড়ে থাবা/ বাবারে বাবা, যাবে কপি তাজা প্রাণ তো।’

Related Articles

Back to top button
Close