fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভিন রাজ্য ফেরত পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রথম ঠিকানা এখন গ্ৰামেরই স্কুল ভবন

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, রানাঘাট: জেলায় ক্রমশ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, ঘটনায় উদ্বিগ্ন নদিয়া জেলা প্রশাসক। বাইরে থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের সংস্পর্শ থেকেই সংক্রমণটি বেশি ছড়াচ্ছে বলে অভিমত চিকিৎসকদের। মহারাষ্ট্র থেকে শান্তিপুরে ফেরৎ আসা হোটেলে কর্মরতা দম্পতির লালারস পরীক্ষায়,স্ত্রীর রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার চিন্তায় ভাঁজ ফেলেছে এলাকাবাসীর। গত ১৪ ই মে শান্তিপুরে ফেরে ঐ দম্পতি, সঙ্গে দুই কন্যা সন্তান। চার জনেরই লালা রস পরীক্ষা করা হয়,অন্য সকলের নেগেটিভ আসলেও ভদ্রমহিলার পজিটিভ হওয়ায় ঐ মহিলা কে কল্যাণী কার্নিভালে ভর্তি সহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শাসক বিরোধী আন্দোলনের মুখ হিসাবে দিলীপ ঘোষকেই রাজ্যবাসীর বেশি পছন্দ

গত ১৬ ই মে শান্তিপুর ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এক যুবকের দেহে করোনা পজিটিভ উপ স্বর্গ ধরা পড়েছে। ঐ যুবক মহারাষ্ট্রের একটি হোটেলে কাজ করতো এবং কয়েকদিন আগেই সে বাড়ি ফিরেছে। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে জেলা প্রশাসনের। লকডাউন শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ধাপে ধাপে ২২ হাজার শ্রমিক রাজ্যে ফিরেছে। ১ লা মে থেকে নিয়মে কিছুটা শিথিলতা আনায় পরিযায়ী শ্রমিক সহ ছাত্রছাত্রী,রোগী ও তার পরিবার সহ পর্যটকরা যে ভাবে ফিরছে তাতে এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজারের বেশি সংখ্যায় দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন যে ভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরার সংখ্যার গতি বাড়ছে, তাতে চিন্তিত প্রশাসন। পরিস্থিতি কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, রাজ্যে ফেরৎ আসার পর,স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেই স্থানীয়গত ভাবে বিভিন্ন স্কুল ভবনেই এবার থাকার ব্যবস্থা করা হবে। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে গ্ৰামে গ্ৰামে উপযুক্ত পরিবেশ অনুযায়ী স্কুল গুলিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পর্যাপ্ত শৌচালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, জল, আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা থাকলেই হবে। খাবার পাঠাতে হবে নিজেদের বাড়ি থেকেই। প্রাথমিক স্তরে গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধির তত্বাবধানে নজরদারি চলবে বলে, জেলা প্রশাসন সুত্রে জানানো হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close