fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্বাধীন ভারতে প্রথম বিদ্যুতের আলোর স্বাদ কৃষি প্রধান এই গ্রামে

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: স্বাধীন ভারতে প্রথম বিদ্যুতের আলোর স্বাদ পেল কাঁকসার আমলাজোড়া পঞ্চায়েতের মোতিলালডাঙা কৃষি প্রধান গ্রাম। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে আবেদন করে অবশেষে বিদ্যুত কর্মাধ্যক্ষের উদ্যোগে বিদ্যুৎ পৌঁছাল গ্রামে। বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে খুশীর হাওয়া গ্রামবাসীদের মধ্যে।

রবিবার বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে কাঁকসার মোতিলালডাঙা গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুত কর্মাধ্যক্ষ অজয় মজুমদার। প্রসঙ্গত, ওই গ্রামে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বসবাস। একসময় গোটা এলাকাটি ডাঙা জমি ছিল। চাষবাস কিছুই হত না। খাঁ খাঁ করত চারদিক। বছর পঞ্চাশেক আগে মোতিলাল বার্মা নামে এক চাষী প্রথম ঘর তৈরী করে বসবাস শুরু করে। আশপাশের ডাঙা জমি কিনে চাষের উপযোগী করে তোলে। জ্বালানি তেল চালিত স্যালো বসিয়ে সেচের ব্যাবস্থা করে। তারপর থেকে চাষের তাগিদে একে একে বসবাস শুরু। সরষে, ভুট্টা, ঢেঁড়স সহ নানান শাকসব্জি চাষ হয়।

[আরও পড়ুন- ছত্তিশগঢ়ে খতম ৩ মাওবাদী]

কৃষি একমাত্র জীবিকা বাসিন্দাদের। বৃদ্ধ মোতিলালের নামে গ্রামের নাম হয় মোতিলালডাঙা। স্থানীয় বাসিন্দা রামবাহাদুর বার্মা জানান,” বিদ্যুতের দাবী দীর্ঘদিনের। বিদ্যুতের অভাবে ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনায় সমস্যা হত। ২০১২ সাল থেকে বিদ্যুতের দাবী জানিয়েছিলাম। প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছুই জেটেনি। নানান টালবাহনা শুরু হয়।

আজ আশাপূরণ হয়েছে। অন্ধকারে থাকা গ্রাম আজ আলো পেয়েছে। খুব খুশী।” কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ অজয় মজুমদার জানান,” কৃষকরা আমাদের অন্নদাতা। তাই ওই গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানোই ছিল প্রথম লক্ষ্য। পার্শ্ববর্তী গ্রামের ট্রান্সফরমার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন,” কৃষি প্রধান ওই এলাকায় সেচের জন্য বিদ্যুত চালিত স্যালোর ব্যাবস্থা আগামী দিনে করা হবে।”

 

Related Articles

Back to top button
Close