fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জেলায় প্রথম উষরমুক্তি প্রকল্পে কাঁকসায় স্বতঃপ্রনোদিত প্রজনন মাধ্যমে মাছের ডিম ফোটানো শুরু

জয়দেব লাহা, দুর্গাপুর: কম হবে খরচ। বাড়বে আয়। মৎস্যচাষীরা এবার পুকুরে স্বতঃপ্রনোদিত প্রজননের মাধ্যমে ডিম ফোটাতে পারবে। সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলায় প্রথম কাঁকসার ব্রহ্মনগ্রামে উষরমুক্তি প্রকল্পে ওই বিশেষ পদ্ধতি মাছের প্রজনন শুরু হল। এবং ফোটানো ডিমের রেনু কণা ছাড়া হল পুকুরে।

এতদিন হ্যাচারী কিম্বা জলস্রোতে মাছের প্রজনন হত। মূলত এই মাছের প্রজনন দক্ষিনবঙ্গের বাঁকুড়ার রামসাগরে কাজটি হত। সেখান থেকে জোগান নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী জেলায় মৎস্যচাষীরা। তাতে ব্যায় সাপেক্ষ ছিল। এবার পরিবহনের ঝুঁকি ও খরচ কমের জন্য স্বতঃপ্রনোদিত পদ্ধতিতে মাছের প্রজননের ডিম ফোটানোর কাজ শুরু হল। এবং সেটা পুকুরে চাষিরা নিজেদের উদ্যোগেই করতে পারবে। সোমবার কাঁকসার ব্রাহ্মন গ্রামে এই পদ্ধতি মাছের প্রজনন শুরু হয় উষরমুক্তি প্রকল্পে। গ্রামের একটি পুকুরে মশারী জাল দিয়ে অস্থায়ী হাপা তৈরী করা হয়।

প্রকল্পের আধিকারিক সত্যনারয়ন সর্দার জানান, “এখানে ১ কেজি ওজনের মাপের ২টি স্ত্রী ও ৪ টি পুরুষ মাছ নেওয়া হয়েছিল। পুকুরে মশারী জালের মাধ্যমে বিশেষ হাপা তৈরি করা হয়। এবং পাম্পের সাহায্যে সেখানে জলের ফোয়ার করা হয়। উত্তেজনা আসার জন্য মাছের ওপর হরমোন ২ এমএল করে ইনজেক্ট করা হয়। তারপর মাছগুলো হাপার মধ্যে ছাড়া হয়। ঘন্টা চারেক পর স্ত্রী মাছ ডিম্বানু ও পুরুষ মাছ শুক্রানু ছাড়ে। এবং ওই হাপাতে ডিম ফোটানো হয়। প্রায় চার লক্ষ রেনুকনা বা ডিম নিষিক্ত হয়েছে। সোমবার ওইসব কিছু সংখ্যক রেনুকনা পার্শ্ববর্তী একটি আতুড় পুকুরে ছাড়া হয়।”

তিনি আরও জানান, ” জেলায় প্রথম এই পদ্ধতি মাছের প্রজনন শুরু হল। সবমিলিয়ে এই পদ্ধতি ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা খরচ হবে। ওই সব রেনুকনা বাজারে প্রায় ৮-১০ হাজার টাকা অনায়সে বিক্রি করে আয় করতে পারবে।”

Related Articles

Back to top button
Close