fbpx
কলকাতাহেডলাইন

স্বাস্থ্যকর্মীদেরই প্রথম টিকা! কেন্দ্রকে রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকে নামের তালিকা পাঠাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর 

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুরু থেকেই কোভিড-যুদ্ধে সামনের সারিতে লড়ে যাচ্ছেন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরা। ভবিষ্যতেও আরও করোনা রোগীর মুখোমুখি হতে হবে তাঁদের। তাই দুর্গাপূজার পরেই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (ন্যাশনাল হেলথ মিশন) আওতায় কলকাতা, শিলিগুড়ি-সহ সাতটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং বাকি সব পুরসভা-সহ সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং বেসরকারি কোভিড হাসপাতালগুলির চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের তালিকা চেয়ে পাঠাল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেই সম্ভাব্য ভ্যাকসিন প্রাপকদের তালিকা জেলায় জেলায় চেয়ে পাঠাল স্বাস্থ্য দফতর। সেই তালিকাই পাঠানো হবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে।

স্বাস্থ্য দফতরের তরফে ওই চিঠি পেয়েই স্বাস্থ্যকর্মীদের নামের তালিকা চেয়ে সরকারি, বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোম, ডায়গনস্টিক সেন্টারে চিঠি পাঠানো শুরু করেছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। নভেম্বরের মধ্যেই কেন্দ্রের হাতে তালিকা তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। তবে চিকিৎসক, নার্স-সহ স্বাস্থ্য এবং সাফাইকর্মীদের মধ্যে কারও যদি অন্য উপসর্গ বা কো-মর্বিডিটি থাকে তাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। ‘হাই রিস্ক গ্রুপ’ বা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের যত বেশি সংখ্যায় এই তালিকায় আনা যায়, তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ৬০ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের পৃথক তালিকা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে। কোনওভাবে কেউ যেন বাদ না যান, সেটা দেখতে হবে। কিন্তু এই স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বিপুল সংখ্যক তথ্যভাণ্ডার কি ভাবে প্রস্তুত করা যায়, তা নিয়ে চিন্তায় কলকাতা ও জেলার মেডিক্যাল কলেজের সুপাররা।

রাজ্যের তরফে যদিও প্রস্তাব ছিল, প্রথম দফায় স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মরত সব সাফাইকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের তালিকার প্রথমে রাখা হোক। তবে সেই প্রস্তাব আংশিক মেনেছেন ন্যাশনাল হেলথ মিশনের আধিকারিকরা। সেই মতো পুরসভা ও সরকারি-বেসরকারি কোভিড হাসপাতালের কাছে গ্রহীতাদের নামের তালিকা চাওয়া হয়েছে। সেই তালিকাই কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব।

Related Articles

Back to top button
Close