fbpx
পশ্চিমবঙ্গবাংলাদেশহেডলাইন

কলকাতা ঢাকা মৈত্রী পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষিত হল

ভাস্করব্রত পতি, তমলুক : করোনা কালেও দুইবাংলার মৈত্রী এবং ঐতিহ্য রক্ষায় কিছু সংস্কৃতিবান মানুষ দৃষ্টান্ত তৈরি করলো। দুই বাংলার মানুষের উদ্যোগে গঠিত ‘কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী পরিষদে’র সভাপতি মোঃ রফিকুল আনোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক ড. মহীতোষ গায়েন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হল। ভারত বাংলাদেশের শিক্ষা, সাহিত্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা এক ভার্চুয়াল সভায় বাংলাদেশের দৈনিক ‘নোয়াখালী প্রতিদিন’ সম্পাদক মোঃ রফিকুল আনোয়ারকে সভাপতি এবং কলকাতা সিটি কলেজের অধ্যাপক ড. মহীতোষ গায়েনকে কলকাতা ঢাকা মৈত্রী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন।

এদিন ঘোষিত হল সেই সংগঠনের ৮৫ সদস্য বিশিষ্ট ২০২০-২০২২ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ঘোষিত কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তারা হ’লেন সহ সভাপতি সুব্রত দাস (পশ্চিমবঙ্গ), গৌতম ঘোষ (পশ্চিমবঙ্গ), সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (বাংলাদেশ), বিমান বিহারী সেন (পশ্চিমবঙ্গ), ড. শৈবাল চট্টোপাধ্যায় (পশ্চিমবঙ্গ), টি এম শওকত আলী মোস্তফা (বাংলাদেশ), অধ্যক্ষ ফরিদা আক্তার খানম (বাংলাদেশ), আ ব ম মহিউদ্দিন খান চৌধুরী (বাংলাদেশ), এ এন এম শেখ আব্দুল্লাহ (বাংলাদেশ), বিধান ভৌমিক (বাংলাদেশ), সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত সিংহ (পশ্চিমবঙ্গ), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন (বাংলাদেশ), মোঃ আহছান উল্লাহ (বাংলাদেশ), মোঃ জহিরুল ইসলাম তানভীর (বাংলাদেশ), গুলজার হোসেন সৈকত (বাংলাদেশ), কৌশিক দত্ত (পশ্চিমবঙ্গ), সাংগঠনিক সম্পাদক ড. বিকাশ মৈত্র (পশ্চিমবঙ্গ), প্রচার সম্পাদক এম বি কানিজ (বাংলাদেশ), গণযোগাযোগ সম্পাদক রবীন দত্ত (পশ্চিমবঙ্গ), প্রকাশনা সম্পাদক আখতারুজ্জামান আসিফ (বাংলাদেশ), যুব সম্পাদক আব্দুল হালিম রকি (বাংলাদেশ), মহিলা সম্পাদক জয়ন্তী রায় (পশ্চিমবঙ্গ), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নিশীথ বরণ সিংহ রায় (পশ্চিমবঙ্গ), কোষাধ্যক্ষ সূপর্ণা রায় (পশ্চিমবঙ্গ), আন্তর্জাতিক সম্পাদক অতনু মিত্র (পশ্চিমবঙ্গ), শিক্ষা সম্পাদক শাহাদত হোসেন নিশাদ (বাংলাদেশ), সাংস্কৃতিক সম্পাদক আভা সরকার মন্ডল (পশ্চিমবঙ্গ), গবেষণা সম্পাদক ড. এমদাদ হোসেন (পশ্চিমবঙ্গ), মানব কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ (বাংলাদেশ), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হারুন অল রশিদ (বাংলাদেশ), সাহিত্য সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাক কনক (বাংলাদেশ) প্রমুখ।

এর আগে বারাসতের একটি সভা করে এই সংগঠনের গঠনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন রফিকুল আনোয়ার। দূই বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আদান প্রদান করাই মূল লক্ষ্য। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দুই বাংলার লেখকদের লেখায় সমৃদ্ধ একটি স্মরণিকা প্রকাশ করা হবে। কোরোনা পরিস্থিতি মিটলেই বড়সড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে সংগঠনের উদ্যোগে।

Related Articles

Back to top button
Close