fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বর্ধমানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ঘটনায় SSKM-এ স্থানান্তরিত শিশুকন্যা, ধৃত অভিযুক্ত

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন স্ত্রী ও শ্যালিকা

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী, শিশুকন্যা ও শ্যালিকাকে জখমের ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুকন্যাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম পরাণ বারুই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ববর্ধমানের খণ্ডঘোষের ষাঁড় গ্রামের ঘটনা। গুরুতর জখম পরাণের ১০ মাস বয়সী শিশুকন্যা, স্ত্রী সুমিত্রা ও শ্যালিকা মালতি সাঁতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। অবস্থা অবনতি হওয়ায় শিশুকন্যাকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে।অভিযুক্ত পরাণ বারুইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন আক্রান্তদের পরিবার পরিজন ও প্রতিবেশীরা।

আরও পড়ুন:মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ, মৃত ২ জখম ৫

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খণ্ডঘোষের ষাঁড় গ্রামে বাড়ি পরাণ বারুইয়ের।  পেশায় দিনমজুর পরাণ নেশা আশক্ত হয়ে পড়েছিল। তার জন্য পরাণের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা বারুইয়ের অশান্তি শুরু হয়। রাগারাগি করে  কয়েকদিন আগে সুমিত্রা তাঁর শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর বাড়ির পাশের পাড়া নিবাসী বোন মালতির বাড়িতে চলেযায়। তবে  সন্তানকে নিয়ে স্ত্রীর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেনি পরাণ। অভিয়োগ শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ হঠাৎই পরাণ ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর শ্যালিকার বাড়িতে পৌঁছে যায়। সেখানেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে সে তাঁর নিজের শিশুকন্যা ও স্ত্রীকে কোপানো শুরু করে।এমনটা দেখে বোন ও বোনের শিশুকন্যাকে বাঁচাতে যায় মালতি। অভিযোগ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরাণ তখন তাঁর শ্যালিকার উপরেও হামলা চালায়। সেই হামলায়  শ্যালিকাও জখম হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিন জনই আর্তনাদ শুরু করে দেয়। প্রতিবেশীদের মধ্যমে এই খবর পেয়ে  খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আক্রান্তদের উদ্ধার করে খণ্ডঘোষ ব্লক স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যায়।আঘাত গুরুতর থাকায় জখম তিনজনকেই রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে  স্থানান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন:অনলাইন যোগাসন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানে দুর্গাপুরের কিষান রাম

এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানাগিয়েছে পারিবারিক অশান্তির কারণেই এই ঘটনা। পরাণ বারুই তিনজনকে  কাস্তে দিয়ে কুপিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পরাণকে গ্রেফতার করে এদিন বর্ধমান আদালতে পেশেকরা হয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে , পরানের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। খুনের চেষ্টায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার সহ এই হামলা প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্তকারি অফিসার এদিন ধৃতকে আদালতে পেশ করে  পাঁচ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতকে পাঁচ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close