fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মোদি সরকার ও এনআইএ-র লক্ষ্য মুসলমানদের হেয় করা! বিস্ফোরক অভিযোগ মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহর

মোকতার হোসেন মন্ডল: মোদি সরকার ও এনআইএ-র লক্ষ্য মুসলমানদের হেয় করা বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। মুর্শিদাবাদে ‘সন্দেহভাজন জঙ্গিদের’ গ্রেফতার নিয়ে মঙ্গলবার রাজভবনের বাড়িতে বিভিন্ন মুসলিম নেতা ও আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি এই অভিযোগ করেন।
উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, অল ইন্ডিয়া মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক রুহুল আমিন, রেড রোডের ঈদের জামায়াতের ইমাম ফজলুর রহমান, প্রাক্তন সাংসদ আহমদ হাসান ইমরান সহ বহু বিশিষ্টজন।
এদিন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি স্থানীয় বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারপরই ধৃতদের অবিলম্বে ও নিশর্তে মুক্তির দাবি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামবাসীরা বলছেন ধৃতরা নিরপরাধ। তাই আমরা মনে করছি, মুসলমানদের অপদস্থ করতেই এই গ্রেফতার করা হয়েছে। মোদি সরকার ও এনআইএ-র লক্ষ্য মুসলমানদের হেয় করা। গোটা বিষয়টিকে ‘কেন্দ্রীয় সরকারের ভয়ঙ্কর কৌশল’ বলে দাবি করেন তিনি।

[আরও পড়ুন- দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন, নির্দেশিকা কলকাতা পুরসভার]

এদিন মুসলিম নেতা ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ডোমকলে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে এনআইএ যে পদ্ধতিতে কার্যকলাপ চালিয়েছে তা দেখে ভ্রম হতে পারে যে,ডোমকলে বোধহয় কোনও যুদ্ধ হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে ১২ থেকে ১৩টির সশস্ত্র বাহিনীর কনভয় নিয়ে গ্রামে ঢুকে নিরীহ মানুষদের ধরপাকড় করছেন,পরে তাদের দিল্লি বা অন্যত্র সরিয়ে রেখেছেন। গণমাধ্যমের একটি অংশ একটিবারের জন্যও সত্য মিথ্যা যাচাই না করে মুসলিম সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই খেলায় মেতেছিল। ওই ৯/১০ জন গ্রেফতারকৃত যুবকের আদৌ কী অপরাধ এবং কী তার তথ্যপ্রমান-সে বিষয়ে এনআইএ মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

আমরা যতদূর জেনেছি ওরা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত নয়। গ্রামবাসীরা বুক ঠুকে সকলের সামনে এই কথাগুলো বলা কওয়া করছেন। মুসলিম সমাজের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এনআইএ-কে ব্যবহার করছে প্রতীয়মান হয়। বিভিন্ন সংগঠন থেকে তাই গ্রেফতারকৃত যুবকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।এদিন আরও বলা হয়,অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত না করে ঐক্য-সংহতি-সম্প্রীতির বন্ধনকে অটুট রাখতে হবে।

 

Related Articles

Back to top button
Close