fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

অকারণে চিন্তা করছেন রাজ্যপাল, পাল্টা দিল তৃণমূল

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাজ্যপালের উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। পাল্টা তোপ তৃণমূলের। রবিবার সকালে আম্বেদকরের প্রয়াণ দিবসে রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর উষ্মা প্রকাশ করে রাজ্যপাল জগদিপ ধনকর। তাঁর অভিযোগ, ‘সংবিধানের পদ থেকে সরে গিয়েছে রাজ্য সরকার।’ তারপরেই এদিন তৃণমূলের পক্ষ থেকে দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এক যোগে রাজ্যপালকে আক্রমণ শানান। সৌগত বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ ভালোই চলছে এনিয়ে ওনার চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই।’
অন্যদিকে ফিরহাদ বলেন, ‘রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা খারাপের কথা রাজ্যপালের মস্তিষ্কে ঢুকে গেছে।’ এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের প্রকাশ্যে এহেন বিবৃতি দেওয়ার ঘটনাকে নিন্দাও করে এই বরিষ্ঠ তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘আমি রাজ্যপালের এই বিবৃতির নিন্দা করছি। আমি বারবার বলছি একজন রাজ্যপালের পক্ষে প্রকাশ্যে রাজ্য সরকারের সম্বন্ধে সমালোচনা করা ঠিক না। এটা অনৈতিক, অসাংবিধানিক। ওনার যদি কিছু বলার থাকে উনি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বা ফোনে জানাতে পারেন। বারবার উনি বিবৃতি দিচ্ছেন প্রকাশ্যে এটা অন্যায়। এই কাজের থেকে ওনার বিরত থাকা উচিত।’
রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের মানসিক সমস্যা রয়েছে। ওর কাউন্সেলিং প্রয়োজন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সমালোচনায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে পাল্টা কটাক্ষ করলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যপালের এই সমালোচনার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে কার্যত ফিরহাদ হাকিম জানান, ‘যেমন মানসিক রোগ থাকে অনেকের, তারা মনে করে তাদেরকে কেউ মারতে যাচ্ছে। ইনি তেমনই আইন-শৃঙ্খলা খারাপ বলে যাচ্ছেন।  সেই চিকিৎসা আমরা করাতে পারবো না। কিন্তু ডিএল খান রোডে ইনস্টিটিউট অফ সাইক্রিয়াটিক রয়েছে। সেখানে আমি লোক পাঠাতে পারি উনি সেখানে কাউন্সেলিং করতে পারেন। সারাক্ষণ যে খারাপ খারাপ বিষয়টি উনি করছেন সেখানে ভালো ভালো তার জীবনে আনতে হবে।’
প্রসঙ্গত, এদিন  উচ্চপদস্থ কর্তারা দায়িত্ব পালন না করে রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন”। এখানেই না ভেবে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্যপাল আরও অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্য সংবিধানের উল্টো পথে হাঁটছে। রাজ্যবাসী অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। উচ্চপদস্থ আমলারা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। উচ্চপদস্থ কর্তাদের এরকম ব্যবহার রাজ্যের সংবিধানকে নষ্ট করছে”। এরপরের রাজ্যের আমলাদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “আমি তাদের বলব তারা নিজেদের দায়িত্ব ফিরে আসুন। আইনের নিয়ম, সংবিধান মেনে কাজ করুন”।

Related Articles

Back to top button
Close