fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দ্রুত করোনা টেস্টের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির থেকে টেস্ট-মেশিন চাইছে স্বাস্থ্য দফতর

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার যুদ্ধে এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলির থেকে সহযোগিতা চাইল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। জানা গিয়েছে, রাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার কয়েকটি কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আরটি-পিসিআর নামে বিশেষ মেশিন চেয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ও। সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে বলে প্রাথমিক সূত্রে খবর।

তবে কী এই আরটি-পিসিআর মেশিন? জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাস টেস্টিং-এর ক্ষেত্রে এই মেশিন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মূলত এই মেশিনের মাধ্যমে লালারসে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি চিহ্নিত করা যায়। এই মেশিনগুলোর সাহায্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয়ের প্রাথমিক পরীক্ষা বোঝানো হয়। এই যন্ত্রগুলি যথেষ্ট দুর্মূল্য এবং এই মুহূর্তে উৎপাদনও অসম্ভব।

এ দিকে রাজ্যে যে ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এই ধরনের মেশিনগুলির প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। তাই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সিদ্ধান্ত, করোনা মোকাবিলায় সাময়িক ভাবে ওই মেশিনগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে চেয়ে নেওয়া হবে। পরে সমস্ত কিছু মিটে গেলে আবার ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এই মেশিনগুলি এলে করোনা টেস্টিং আরও গতি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা স্বাস্থ্যকর্তাদের।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই এই মেশিনের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাময়িকভাবে টেস্টিং-এর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছ থেকেই সহযোগিতা চাইছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। বিভিন্ন গবেষণা কাজের জন্য কলকাতা, যাদবপুর ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এই মেশিনের ব্যবহার করা হয়।

করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় রাজ্যের তৈরি করা টাস্কফোর্সের অন্যতম সদস্য চিকিৎসক ডাঃ অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, ‘রাজ্য সরকার চাইছে বেশি সংখ্যক এবং খুব কম সময়ের মধ্যে টেস্ট করাতে। তার জন্য এই মেশিনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অনুরোধ করা হচ্ছে যাতে তারা এই মেশিন গুলি দেন।” ইতিমধ্যেই কলকাতা, যাদবপুর বর্ধমানের মত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই মেশিন দেওয়ার জন্য লিখিত ও মৌখিকভাবে বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস জানিয়েছেন “আমরা ইতিমধ্যেই চিঠি পেয়েছি। আমাদের তরফে সব রকমের সহযোগিতা করা হবে।” রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, তাদের চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তারা জানিয়েছে এই করোনা যুদ্ধে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ে সঙ্গ দেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও।

Related Articles

Back to top button
Close